মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ বিন হারুন বঙ্গোপসাগরের সম্পদ ব্যবহার করে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বঙ্গোপসাগরের সম্পদ দেশের জিডিপি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের মূল চালিকাশক্তি হতে পারে।
এক আলোচনায় তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের ভূগোলের দিকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে হবে। দেশের বিপুল মূল্যবান নৌখাতের সম্পদকে স্থলভাগের সমান গুরুত্ব দিতে হবে।'
ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা
আশিক মাহমুদ বলেন, 'আমরা প্রায়শই বাংলাদেশকে শুধুমাত্র স্থলভাগ হিসেবে দেখি, বঙ্গোপসাগরকে উপেক্ষা করি। এই মানসিকতা আমাদের চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনাকে সীমাবদ্ধ করেছে। সমুদ্রকে সীমানা হিসেবে নয়, সমৃদ্ধির দ্বারপথ হিসেবে দেখতে হবে।'
তিনি উল্লেখ করেন, ব্লু ইকোনমি দেশের অনাবিষ্কৃত সমুদ্রিক সম্পদ ব্যবহার করে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারে, কোটি কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে পারে।
মৎস্য শিল্পের বাইরে সম্ভাবনা
মিডার চেয়ারম্যান জোর দিয়ে বলেন, 'মৎস্য শিল্পকে শুধুমাত্র ব্লু ইকোনমির শুরু হিসেবে দেখা উচিত। এর চেয়েও বেশি বিস্তৃত নৌখাতের অর্থনীতির অংশ হিসেবে সমুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াজাতকরণ, নৌ শিল্প, লজিস্টিক্স, জাহাজ নির্মাণ এবং অন্যান্য সমুদ্রভিত্তিক খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।'
সহযোগিতার আহ্বান
আশিক মাহমুদ বিডিএ, মিডা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই সহযোগিতা নীতি গঠন এবং স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বাংলাদেশের নৌখাতের অর্থনীতির ধারণা পরিবর্তন করতে এবং দেশটিকে বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত অবস্থান পূর্ণ ব্যবহার করতে সহায়তা করবে।
সরকারের উচ্চ সম্ভাবনা সম্পন্ন খাতগুলো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মিডার চেয়ারম্যান সকল পক্ষের কাছে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্লু ইকোনমিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কৌশলের মূল ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।






























