বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের প্রথম ৩৫৯ দিনে অর্থ প্রেরণ ১৭.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫.০৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। বিদেশী বাংলাদেশীরা ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ২৪ জুনের মধ্যে ৩৫.০৬৯ বিলিয়ন ডলার অর্থ প্রেরণ করেছেন, যা গত বছরের একই সময়ের ২৯.৭৯২ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
২৪ জুনে মাত্র এক দিনে দেশে ৭৪ মিলিয়ন ডলার অর্থ প্রেরণ আসে। জুন মাসের প্রথম ২৪ দিনে অর্থ প্রেরণের পরিমাণ ছিল ২.৩১২ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থনীতিতে অবদান
অর্থ প্রেরণের এই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। অর্থনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারকরা এই বৃদ্ধিকে ম্যাক্রো-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইতিবাচক সূচক হিসেবে দেখছেন।
বিদেশী বাংলাদেশীরা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে অর্থ প্রেরণ করার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও, বিদেশে চাকরির বাজারে অব্যাহত স্থিতিশীলতা এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনা
২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের অর্থ প্রেরণের পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য এক নতুন রেকর্ড স্থাপন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থবছরের শেষ কয়েক দিন বাকি থাকায় এই বৃদ্ধি আরও বেশি হতে পারে।






























