মাসুদ খানের নেতৃত্বে নতুন কমিশন বিএসইসির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেছেন, তাঁদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে শেয়ারবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনা। তিনি বলেন, কমিশন বাজারের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবে এবং যেখানে প্রয়োজন, সেখানে কঠোর ও স্মার্ট নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।
নতুন কমিশনের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা
নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাজারে অযাচিত নিয়ন্ত্রণ কমানো তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো এবং যেখানে সম্ভব, সেখানে নিয়ন্ত্রণ সহজ করতে কাজ করবে নবগঠিত কমিশন। মাসুদ খান বলেন, ‘আমরা বাজারের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাব। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে কঠোর ও স্মার্ট নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। আর যেখানে সম্ভব, সেখানে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে সহজ করে দেওয়া হবে। ধীরে ধীরে বাজারকে সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালাইজড করতে কাজ করবে এই কমিশন। এমন একটি কমিশন আমরা গড়ে তুলতে চাই, যেটি হবে প্রযুক্তিনির্ভর। কাজ হবে দ্রুত ও অংশীজনদের জন্য সহজ।’
কারসাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা
মাসুদ খান জানান, কারসাজিমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে রিয়েল–টাইম বা প্রকৃত সময়ভিত্তিক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারসাজিকারকদের আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি শাস্তির মুখোমুখি হবে এবং সেটি হবে রিয়েল–টাইম ব্যবস্থা। কারসাজি নিয়ন্ত্রণে জেড শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির ওপর শুরু থেকে বিশেষ নজরদারি করা হবে। বিএসইসির সব ধরনের কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা।
শেয়ারবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ
বিএসইসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, শেয়ারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ বা বাজারের উত্থান-পতন ঠেকানোর কৃত্রিম কোনো ব্যবস্থা বা পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত হবে না কমিশন। শেয়ারের বাজারভিত্তিক ন্যায্যমূল্য যাতে নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করবে এই কমিশন। নতুন কমিশনের দর্শন হচ্ছে প্রথমে স্মার্ট নিয়ন্ত্রণ, তারপর ডিজিটালাইজেশন, ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ধারাবাহিকভাবে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।




















