ডাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে যা দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কর্তৃত্ব দেয়। ডিএসই এটিকে দেশের মূলধন বাজারের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছে।
মার্কেট রেগুলেশন প্যারামিটার নির্ধারণের কর্তৃত্ব
বিএসইসি ১ জুলাই তারিখে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ২০এ এর অধীনে এই আদেশ জারি করেছে। এই আদেশ ডাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) উভয়কেই তাদের নিজ নিজ নিয়ম ও পরিচালনামূলক প্রয়োজন অনুযায়ী মার্কেট রেগুলেশন প্যারামিটার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কর্তৃত্ব দেয়।
লক্ষ্য ও প্রভাব
বিএসইসি বলেছে যে এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা শক্তিশালী করা, একটি শৃঙ্খলিত ট্রেডিং পরিবেশ বজায় রাখা এবং মেলাকুলা, দক্ষ এবং স্বচ্ছ লেনদেনকে সমর্থন করে দেশের মূলধন বাজারের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।
বিএসইসিকে অবহিত করার প্রয়োজনীয়তা
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এক্সচেঞ্জগুলো অবশ্যই মার্কেট রেগুলেশন প্যারামিটারে যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে বিএসইসিকে অবিলম্বে অবহিত করবে এবং বিস্তৃত জনসাধারণের মাধ্যমে সমস্ত মার্কেট অংশগ্রহণকারীদের উপযুক্তভাবে অবহিত করবে। এছাড়াও, বিদ্যমান মার্কেট রেগুলেশন প্যারামিটার কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না এক্সচেঞ্জগুলো অন্যথায় সিদ্ধান্ত নেয়।
ডিএসইর মতামত
ডিএসই বলেছে যে নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতা এক্সচেঞ্জগুলোকে পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতির প্রতি আরও কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ দেবে এবং শৃঙ্খলিত ট্রেডিং নিশ্চিত করে সামগ্রিক মার্কেট পরিচালনার উন্নতি করবে।





























