বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) সব ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা তাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে চলমান শাস্তিমূলক মামলাগুলো সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য অনির্ধারিত সময়ের জন্য মামলা ধরে রাখার অভ্যাস বন্ধ করা, যা প্রায়শই ছেড়ে যাওয়ার চিঠি বা অভিজ্ঞতা সনদ প্রদানে বিলম্ব করে এবং কর্মচারীদের অন্য ব্যাংকে যোগদানে বাধা সৃষ্টি করে।
নতুন নির্দেশনার বিশদ
বিবি ৫ মে, ২০০৫ তারিখের বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং ০৬ এর অনুচ্ছেদ ০২(বি) প্রতিস্থাপন করে এই নির্দেশ জারি করেছে। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, যদি কোনও কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক মামলা চলমান থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে অবশ্যই তার সেবা নিয়ম অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
উদ্দেশ্য ও প্রভাব
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে যে এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল শাস্তিমূলক মামলা অনির্ধারিত সময়ের জন্য ধরে রাখার অভ্যাস বন্ধ করা, যা প্রায়শই ছেড়ে যাওয়ার চিঠি বা অভিজ্ঞতা সনদ প্রদানে বিলম্ব করে এবং কর্মচারীদের অন্য ব্যাংকে যোগদানে বাধা সৃষ্টি করে। বিবি বলেছে যে এই সংশোধন ব্যাংকিং খাতের অনুশীলনকে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ শ্রম নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে এবং শাস্তিমূলক পদ্ধতিতে বৃহত্তর স্বচ্ছতা এবং আইনি নিশ্চিততা নিশ্চিত করবে।
সার্কুলারটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৪৫ এর অধীনে জারি করা হয়েছে। মূল ২০০৫ সার্কুলারের অন্যান্য বিধানগুলো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। নতুন নির্দেশ তাত্ক্ষণিকভাবে কার্যকর এবং বাংলাদেশের সমস্ত নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর জন্য প্রযোজ্য।





























