বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত বাজেটকে সংস্কারমুখী ও ব্যবসাবান্ধব হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। বিসিআইয়ের সভাপতি আনোয়ার–উল আলম চৌধুরী অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।
বিসিআই বলেছে, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বিবেচনা করলে দেখা যায়, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুরু থেকেই নির্দিষ্ট সময়সীমা ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রতিটি ধাপে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের কার্যকর সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।
আনোয়ার–উল আলম চৌধুরী বলেন, উন্নয়ন অগ্রাধিকারের ১০টি খাত চিহ্নিত করা এবং সৃজনশীল ও সমুদ্র অর্থনীতিতে গুরুত্ব দেওয়া টেকসই উন্নয়নের পথ শক্তিশালী করবে। বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব এবং করের আওতা সম্প্রসারণকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
হালাল পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকে বহুমুখীকরণ কৌশলের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বিসিআইয়ের সভাপতি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে এ খাতে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। ডিরেগুলেশন বা নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণের মাধ্যমে ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগকে বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
বিসিআই মনে করে, বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য বড় বাজেট প্রয়োজন। তবে বাস্তবায়নের সক্ষমতা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শুরু থেকেই নির্দিষ্ট সময়সূচি, পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয় সংগঠনটি।






























