জলসম্পদ রাষ্ট্রমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়নের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প শীঘ্র শুরু হবে। চিলমারী নদী বন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগে কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রাউমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় নদী ভাঙনে আক্রান্ত এলাকা দেখে এসেছেন।
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে রাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা একটি বড় প্রকল্প। এমন একটি বড় প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সরকার মাত্র পাঁচ মাসের বেশি পুরনো নয়। আমাদের কিছু সময় দিন। আমরা শীঘ্রই তিস্তা মাস্টার প্ল্যানের অধীনে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করবো।’
নদী ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা
কুড়িগ্রামের নদী ভাঙনের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিলমারী নদী বন্দর সহ জেলাজুড়ে ভাঙন আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি আরও বলেন, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং নদী ভাঙন প্রতিরোধের জন্য দুটি প্রকল্প ইতিমধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
রাজনৈতিক বৈষম্য ছাড়াই নদী ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে রাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার ভাঙনে আক্রান্ত মানুষের পাশে রয়েছে। ‘সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে মানুষ তাদের বাড়ি, বাজার, মসজিদ, মন্দির বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদী ভাঙনের কারণে হারায় না।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে প্রকল্পগুলো কতদূর দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায় তা নির্ধারণের জন্য ক্ষেত্র পর্যায়ে পরিদর্শন করা হচ্ছে বলে রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন। তিনি বলেন, কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙন প্রবণ এলাকায় জরুরি কাজ চলছে। প্রয়োজনে আরও হস্তক্ষেপের জন্য নির্দেশ দেওয়া হবে।





























