রেলমন্ত্রী শাইখ রাবিউল আলম জাতীয় সংসদে বলেছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে বর্তমানে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ মালামাল পরিবহনের মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ বহন করে। অধিকাংশ মালামাল সড়ক ও অভ্যন্তরীণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
মন্ত্রীর বক্তব্যে, "বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট অভ্যন্তরীণ মালামাল পরিবহনের শেয়ার খুবই সীমিত। অধিকাংশ মালামাল সড়ক ও জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।"
তিনি বলেছেন, রেলমন্ত্রক রেলওয়ের মালামাল পরিবহনের ক্ষমতা বাড়ানো এবং রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের মালামাল পরিবহনের ক্ষমতা এবং রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য।
মন্ত্রী জানান, সরকার দেশের প্রধান বাণিজ্যিক রুট যেমন ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রেল অংশে ডাবল-ট্র্যাক সুবিধা সম্পূর্ণ ব্যবহার করে আরও বেশি সংখ্যক মালামাল ট্রেন চালাবে।
মন্ত্রক নতুন মালামাল ওয়াগন এবং লোকোমোটিভ ক্রয়ের কাজে কাজ করছে অপারেশনাল ক্ষমতা শক্তিশালী করতে। এছাড়াও, অঞ্চল ও উপ-অঞ্চলীয় রেল সংযোগ, ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো (আইসিডি) এবং লজিস্টিক হাব স্থাপন এবং মেগা রেল প্রকল্পগুলোর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা হচ্ছে।
রেলমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, এই উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় রেল মালামাল পরিবহনের শেয়ার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। মালামাল পরিবহন ক্ষেত্রে রেলের ভূমিকা বৃদ্ধি করলে দেশের পরিবহন খরচ কমবে এবং বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক কার্যকলাপে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হবে।





























