ঢাকা ব্যাঙ্কের চার মালিকানা অফিসারকে অর্থ গোপনীয়তা ভঙ্গ, মিথ্যা দলিল এবং অর্থ অবৈধভাবে ব্যবহারের অপরাধে মিলিত ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান ৩ জন অফিসারের সামনে এবং একজন অফিসারকে অনুপস্থিতিতে বিচার করেছেন।
প্রকৃত অপরাধের বিবরণ
ঢাকা ব্যাঙ্কে মোহাম্মদ ইউসুফ আলি একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন এবং তাকে ১৭ লক্ষ টাকার ধার দেওয়া হয়েছিল। শেয়ার হিসাবে তিনি ১,০০০ শেয়ার কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেড এবং ৭,৫০০ শেয়ার মেঘনা সিমেন্ট লিমিটেড হিসাবে জমা দিয়েছিলেন। পরে শেয়ারগুলো নকল বলে প্রমাণিত হয় এবং তিনি ও তার সহযোগী শওকত আলি অর্থ অবৈধভাবে ব্যবহারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন।
বিচারের প্রক্রিয়া
মামলাটি ২০০৮ সালের মে মাসে মোটিঝিল পুলিশ স্টেশনে দায়ের করা হয়। অ্যান্টি- করপশন কমিশনের সহকারী ডিরেক্টর কামিয়াব আফতাহি-উন-নাবি ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে চার্জশীট জমা দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিচারের শুরু হয় এবং ১৪ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন।





























