চাপাইনবাবগঞ্জের লাক্ষ্মীপুর গ্রামে একটি ঘরের বৈদ্যুতিক রেলিং-এর সংস্পর্শে এসে এক পরিবারের তিন সদস্য মারা গেছে। মৃতদের মধ্যে আছেন হাসিনা বেগম, তার ভাতিজি আশা খাতুন এবং আশার ১৩ বছর বয়সী মেয়ে মিম।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, হাসিনা বেগম ছাদে যেতে গিয়ে রেলিং-এর সংস্পর্শে এসে বৈদ্যুতিক শক পেয়েছিলেন। তার চিৎকার শুনে আশা খাতুন এবং মিম তাকে বাঁচাতে গিয়েও বৈদ্যুতিক শক পেয়ে মারা গেছে। তিনজনই ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে ঘটনাটি
সদর মডেল পুলিশ স্টেশনের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) এমডি। একরামুল হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদের লাশ উদ্ধার করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনগত ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ দুর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায়
বিদ্যুৎ দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন, বিদ্যুৎ সংস্পর্শ এড়ানো, তারগুলো নিরাপদ রাখা, বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করা এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষা করা।





























