কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাইক্রোবাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।
এদিকে গত বুধবার রাতে সংঘর্ষের পর গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভৈরব সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মুসা শেখ প্রথম আলোকে বলেন, জনস্বার্থ বা প্রশাসনিক কারণে ওসিকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র বলছে, বুধবার রাতে সংঘর্ষের কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অন্তত সাড়ে চার ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। এতে হাজারো যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। এ ছাড়া সংঘর্ষের সময় অন্তত আটটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় আরও কয়েকটি। এসব ঘটনায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় ওসিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভৈরবে মাইক্রোবাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত বুধবার রাতে স্থানীয় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। তার আগে ৪ জুন ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ভৈরব রেলস্টেশনে পৌর শহরের পঞ্চবটী ও জগন্নাথপুর এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় রাত ৯টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেটসহ পূর্বাঞ্চলে সাড়ে চার ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। সেদিনও স্টেশনে ট্রেন পরিচালনা কক্ষ (কেবিন) ও রেলওয়ে থানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ভৈরব বাসস্ট্যান্ড ঘিরে একাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়। সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা বিভিন্ন কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে আছেন। বুধবারের সংঘাতের পেছনে তাঁদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ আছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকার জিল্লুর রহমানের ছেলে অন্তর মিয়া, ভৈরবপুর উত্তরপাড়ার সেলিম মোল্লার ছেলে আশিকুজ্জামান, লিমন মিয়া, ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার হালিম মোল্লার ছেলে আকাশ মিয়া ও রুহুল আমিনের ছেলে আলাদিন মিয়া।






























