জেসন আরডে, যুক্তরাজ্যের একজন বিখ্যাত একাডেমিক, যিনি অসংখ্য অভিযোগের মধ্যে মারা গেছেন। তিনি ছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক, যিনি তাঁর অসাধারণ জীবনী এবং প্লাজিয়ারিজমের অভিযোগের কারণে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
জেসন আরডে, যিনি অটিজম এবং অন্যান্য বিকাশগত ব্যাধিগুলির মধ্য দিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন, তিনি যুক্তরাজ্যের অন্যতম সেরা একাডেমিক হয়ে উঠেছিলেন। তিনি যখন মারা গেছেন, তখন তিনি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নিয়োগের পর তিনি খুব দ্রুত একটি বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। তবে সম্প্রতি প্লাজিয়ারিজমের অভিযোগ এবং অন্যান্য বিবাদের কারণে তাঁর খ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
আরডে তাঁর অবস্থান থেকে পদত্যাগ করেছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার পর তিনি বলেছিলেন যে তিনি অভিযোগগুলির শিকার হচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একটি বর্ণবাদী অভিযান চলছে।
আরডে তাঁর জীবনের অনেক অংশে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি অটিজম এবং অন্যান্য বিকাশগত ব্যাধিগুলির কারণে বেশ কয়েক বছর কথা বলতে পারতেন না। তাঁর মা তাঁকে সহায়তা করেছিলেন তাঁর ভাষাগত বোঝার জন্য।
আরডে তাঁর অধ্যয়নের পথে অনেক বাধা অতিক্রম করেছিলেন। তিনি ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত পড়াশোনা করতে পারতেন না এবং কেবলমাত্র দুটি বিদ্যালয় পর্যায়ের যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। তাঁর পরবর্তী শিক্ষাগত অর্জন তাঁকে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল।
আরডে তাঁর জীবনের অনেক অংশে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি অটিজম এবং অন্যান্য বিকাশগত ব্যাধিগুলির কারণে বেশ কয়েক বছর কথা বলতে পারতেন না। তাঁর মা তাঁকে সহায়তা করেছিলেন তাঁর ভাষাগত বোঝার জন্য।






























