ইতালির জেনোয়ায় ব্রিজ ভাঙ্গন মামলায় আদালত রায় দিলো। প্রায় আট বছর আগে ঘটা এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছিল। বিচারের চার বছর পর ৫৭ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা, পরিবহন নিরাপত্তা বিপন্ন করা এবং নথিপত্র জালিয়াতির অভিযোগে রায় দেওয়া হয়েছে।
বিচারের চার বছর পর অভিযুক্তদের জন্য মোট ৪০০ বছরের কারাদণ্ড চাওয়া হয়েছিল। মরানদি ব্রিজের ৯ নম্বর খুঁটি ধসে পড়ার ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে বেশিরভাগই অটোস্ট্রাড পার লিতালিয়া (এএসপিআই) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি স্পিয়ার কর্মকর্তা।
অভিযোগ রয়েছে যে, ৫১ বছর ধরে ৯ নম্বর খুঁটির ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণও করা হয়নি। অভিযুক্তদের প্রতিরক্ষার প্রধান যুক্তি হলো ব্রিজে লুকানো একটি নির্মাণ ত্রুটি, যা কেবলগুলোর ক্ষয়ক্ষতির কারণে এটি ভেঙে পড়েছিল, নয় যে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে।
এএসপিআই এবং স্পিয়া ইতিমধ্যেই পাবলিক প্রসিকিউটরের অফিসের সাথে একটি আদালতের বাইরে সমঝোতা করেছে, যার ফলে রাষ্ট্রকে ২৯ মিলিয়ন ইউরো অর্থ প্রদান করতে হবে। দুর্ঘটনার সময় এএসপিআই অ্যাটলান্টিয়া গ্রুপের অধীনে ছিল, যা বেনেটন পরিবারের মালিকানাধীন। জনগণের ক্ষোভের মুখে পরিবারটি পরে রাষ্ট্রের কাছে তাদের অংশ ছেড়ে দেয়।
জেনোয়া ভাঙ্গন মামলাটি ইতালির অবকাঠামো দুর্ঘটনার মধ্যে একটি মারাত্মক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত। বাংলাদেশেও এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে, তাই নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।





























