দিল্লির হাউজ রানিতে একটি পাঁচতলা হোটেলে আগুন লাগে এবং তা দ্রুত ভবনের তিনটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে ছুটে যান।
৬১ বছর বয়সী রিয়াজউদ্দিন ভবনের বিপরীত দিকে থাকা ফুটপাতে একটি দোকান চালান। রিয়াজউদ্দিন বলেন, আগুন লাগার পর তিনি দ্রুত তাঁর দোকান থেকে ম্যাট্রেস বের করে ভবনের জানালার নিচে বিছিয়ে দিয়েছিলেন, যেন মানুষেরা লাফিয়ে পড়লেও আঘাত কম পায়।
মোহাম্মদ ইসরার খান নামের আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দাও জানালা দিয়ে মানুষদের বের করতে সাহায্য করেন। ইসরার এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ওয়াসিম, আমির, শাহরুখ, আফজাল, হাজি ও আনিস মিলে আহত ও আটকে পড়া মানুষদের টেনে বের করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াসিম রাজা বলেন, তিনি একটি শৌচাগারের ভেতরে দুই নারীকে অচেতন অবস্থায় পান। আগুন থেকে বাঁচতে তাঁরা শৌচাগারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি একাই তাঁদের ম্যাট্রেসে করে বাইরে নিয়ে আসি। সেখানে থাকা বেশির ভাগ মানুষই আগে থেকেই দুর্বল ছিলেন এবং চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে এসেছিলেন।’
আগুন নিভে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সরু গলিগুলোতে পাশাপাশি অনেক বহুতল হোটেল রয়েছে। এসব ভবনের অনেকগুলোরই শুধু একটি সিঁড়ি। অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামেরও অভাব রয়েছে সেখানে।



















