পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ খলিলুর রহমান বলেছেন, সরকারের 'বাংলাদেশ প্রথম' নীতি দেশের বহিরাগত সম্পর্ক পরিচালনা করবে। ম্যানিলায় এশিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় তিনি চীন, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ বৈঠকগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শক্তি এবং সংযোগ ব্যবস্থা। এছাড়াও, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে জোর দেওয়া হয়েছে যে, 'বাংলাদেশ প্রথম' নীতি দেশের বহিরাগত সম্পর্ক পরিচালনার নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠকে উভয় পক্ষ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও উন্নীত করার জন্য কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রত্যাবর্তন, মাল্টিমোডাল পরিবহন করিডোর, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং শক্তি ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতার ব্যাপারে আলোচনা করেছেন।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্জেই লাভরোভের সঙ্গে বৈঠকে খলিলুরকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানানো হয়েছে। উভয় পক্ষ বিদ্যমান বাংলাদেশ-রাশিয়া সহযোগিতা আরও বাড়ানোর জন্য সম্মত হয়েছে, বিশেষ করে শক্তি ক্ষেত্রে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে খলিলুর তাকে বাংলাদেশ সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও খলিলুরকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।
চীন, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলো দেখিয়েছে যে, বাংলাদেশ বড় বিশ্ব ক্ষমতাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, তবে 'বাংলাদেশ প্রথম' নীতি অনুসরণ করে। খলিলুর ৩৩তম এশিয়ান রিজিওনাল ফোরাম পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৈত্রী ও সহযোগিতার চুক্তির ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অনুষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।





























