মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যার দেবী সরস্বতীর পুজো হয়ে থাকে। এই দিনটিকে বসন্তপঞ্চমী বা শ্রীপঞ্চমী তিথি বলা হয়ে থাকে। সনাতন ধর্মাবলম্বী সববয়সী নারী-পুরুষ দুই হাত জোড় করে মন্ত্রোচ্চারণ করেন।
সরস্বতী দেবীর ভূমিকার কথা বৈদিক যুগ থেকে জানা যায়। বিদ্যা, জ্ঞান, সংগীত এবং প্রজ্ঞার আরাধনায় তিনিই পূজিত হন। মাঘ মাসের পঞ্চমী তিথিতে তাঁকে পূজা করা হয়।
সরস্বতী দেবী চতুর্ভুজা হলেও বঙ্গদেশে তিনি মূলতঃ দ্বিভুজা রূপেই পূজিত হন। তাঁর চার হাতে থাকে অক্ষমালা, পুঁথি, বীণা এবং পদ্মফুল সহকারে বরাভয়ের মুদ্রা।
বিদ্যা এবং জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি সরস্বতীকে জলদেবতা রূপেও পুজো করার রীতি কৃষিপ্রধান ভারতীয় উপমহাদেশে প্রচলিত। সরস শব্দের অর্থ জল।
হিন্দু পণ্ডিত মদনমোহন মালব্য কাশী বিশ্ববিদ্যালয়ে একশো বছর আগে সরস্বতী পুজোর প্রচলন শুরু করেন। আজ সেই ট্র্যাডিশন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে।
সরস্বতী দেবীর পুজো শুধু ভারতীয় উপমহাদেশেই হয়ে থাকে ভাবলে ভুল হবে। পঞ্চম শতকের পর বেদ-পুরাণের দেবদেবীদের ভারতের বাইরেও পূজিত হবার ইতিহাস জানা যায়।




















