মহানবী মুহাম্মদ (সা.) শিক্ষাদানে উপমা, চিত্র ও যুক্তিনির্ভর সংলাপের মতো ১৫টি কালজয়ী কৌশল ব্যবহার করতেন। তাঁর এই কৌশলগুলো ছিল চিরআধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত। তিনি জটিল বিষয়কে অধিকতর স্পষ্ট করার জন্য চাক্ষুষ উপমা ব্যবহার করতেন এবং মাটির ওপর দাগ টেনে ছবি বা নকশা আঁকতেন। তিনি বক্তব্যের পাশাপাশি হাতের ইশারাও ব্যবহার করতেন। জ্ঞানের প্রথম ধাপ হিসেবে কৌতূহলকে গুরুত্ব দিতেন এবং সাহাবিদের চিন্তাশক্তি পরীক্ষা করতেন। গল্পের মাধ্যমে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতেন এবং ক্ষেত্রবিশেষে কঠোরতাও শিক্ষার একটি ফলপ্রসূ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতেন।
মহানবীর শিক্ষাদানের কৌশলসমূহ:
১. চাক্ষুষ উপমা ব্যবহার করা। ২. মাটির ওপর দাগ টেনে ছবি বা নকশা আঁকা। ৩. হাতের ইশারা ব্যবহার করা। ৪. জ্ঞানের প্রথম ধাপ হিসেবে কৌতূহলকে গুরুত্ব দেওয়া। ৫. সাহাবিদের চিন্তাশক্তি পরীক্ষা করা। ৬. গল্পের মাধ্যমে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা। ৭. ক্ষেত্রবিশেষে কঠোরতা প্রয়োগ করা। ৮. ওহি লেখক নিয়োগ করা। ৯. বিদেশি ভাষা শেখার নির্দেশ দেওয়া। ১০. হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করা। ১১. ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ১২. প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি ব্যবহার করা। ১৩. হাদিস ও সুন্নাহ অনুসরণ করা। ১৪. মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের দিক নিরিখে শিক্ষা প্রদান করা। ১৫. শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগানো।




















