দশেরা ও বিজয়া দশমী উদ্যাপনের মধ্যে রয়েছে অনেক মিল এবং ভিন্নতা। দশমী তিথিতে দুর্গাপূজার শেষ দিনে বাঙালিরা বিজয়া দশমী উদ্যাপন করে থাকেন, আর অন্য ভাষার হিন্দুরা দশেরা উৎসব উদ্যাপন করেন।
পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, রামচন্দ্র রাবণের সীতাহরণের কারণে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। রাম দেবী দুর্গাকে পূজার মাধ্যমে সন্তুষ্ট করে রাবণ বধের বর প্রার্থনা করেন। দেবী দুর্গা রামকে আশীর্বাদ এবং কৌশল দান করেন।
রাবণের পরাক্রমের পেছনে দেবী দুর্গার বর ছিল। রামের পূজার কথা জেনে রাবণ চণ্ডীপাঠে বসেন। রামের নির্দেশে হনুমান মাছির রূপ ধরে চণ্ডীপাঠে বসলে রাবণ মন্ত্র ভুল পড়েন। পরে দশমী তিথিতে রামচন্দ্র রাবণকে বধ করে সীতাকে উদ্ধার করেন।
দশমী তিথিতে দশেরা উদ্যাপনের মধ্যে দিয়ে নারী হরণকারী রাবণকে দাহ করার মধ্যে দিয়ে নারীর প্রতি অপমানের শোধ তোলার এক প্রতীকী উৎসবরূপে দশেরাকে চিহ্নিত করা হয়।
বিজয়া দশমীতে দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে বাংলায় উদ্যাপণ করা হয়। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর লেখায় ‘বিজয়া দশমী’র কথা উল্লেখ আছে। দেবী দুর্গার প্রতিমাকে মেয়েরা সাতবার প্রদক্ষিণ করেন এবং মিষ্টান্ন দেন। শুভ বিজয়া বলে একে অপরের মঙ্গল কামনা করে থাকে সবাই।




















