শৈশবে আব্বার চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে থাকাকালীন বড়দিন ছিল অনন্য। রেলওয়ের বাংলো বাড়ির পাশের খেলার মাঠ, হাসপাতাল, নিকোলাস ডিকস্টার কটেজ, সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল — এসব স্থান ছিল বড়দিনের স্মৃতির অংশ। নিকোলাস স্যারের বাড়িতে বড়দিনে কিশমিশ কেক আর ডিসকো গান শোনার স্মৃতি এখনো জীবন্ত।
পাহাড়তলীর ছোট গির্জা স্কুল, রঙিন কাচের শার্সি, ম্যানুয়েল গোমেজের সঙ্গে রেলওয়ের জলের ট্যাঙ্কের ওপর উঠে সমুদ্র দেখা — এসব ছিল শৈশবের বড়দিনের অংশ। বড়দিনে শিক্ষকদের বাড়িতে রঙিন ঝালর আর গানের সুর ভেসে আসত।
কলেজ জীবনে পাথরঘাটায় বড়দিন উদযাপন করা হত। ডমিনিক স্যামসন আর কনরাড ডায়াসের সঙ্গে বন্ধুত্ব, গির্জার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া, ডমিনিকের বাসায় কেক খাওয়া — এসব ছিল যৌবনের বড়দিনের অংশ। পাথরঘাটায় বড়দিনের বিভিন্ন খাবার, ক্রিসমাস ট্রি আর গানের দলের গান শোনা যেত।
পাথরঘাটায় ইংরেজ, পর্তুগিজ ও বাঙালি সংস্কৃতির মিশ্রণ দেখা যায়। ডমিনিকের পরিবারের মতো অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান পরিবারের বড়দিনের রীতিনীতি এখানে অনন্য। বড়দিনের খাবারে ভিন্দালু আর কালকালের মতো পর্তুগিজ খাবার থাকে।




















