রাজা শুদ্ধোধন ও রানি মহামায়ার পুত্র সিদ্ধার্থ বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বুদ্ধত্ব লাভের জন্য তিনি কোটি কোটি কল্প ধরে বোধিসত্ত্ব রূপে নানা যোনিতে জন্মগ্রহণ করে পারমী পূর্ণ করেছিলেন। পারমী পরিপূর্ণ হলে তিনি অভিসম্বুদ্ধ হন এবং সম্যক সম্বুদ্ধত্ব লাভ করে ধর্মচক্র প্রবর্তন করেন।
বুদ্ধ ৩০ প্রকার পারমী পরিপূরণ করে মনুষ্যলোকের শেষ জন্ম রাজা বিশ্বন্তরের দানশীল ও পরম ত্যাগী জীবন সম্পন্ন করে তুষিত স্বর্গে আরোহণ করেন। তুষিত স্বর্গে ৫৭ কোটি ৬০ লাখ বছর অবস্থান করে তিনি রাজা শুদ্ধোধন ও রানি মহামায়ার সংসারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
রাজকুমার সিদ্ধার্থ ২৯ বছর বয়সে চারি নিমিত্ত দর্শন করে সংসার পরিত্যাগ করেন। ৩৫ বছর বয়সে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে তিনি গয়ার বোধিদ্রুমমূলে বসে সর্বজ্ঞতা তথা বুদ্ধত্ব লাভ করেন। বুদ্ধত্ব লাভের পর তিনি সারনাথের ঋষিপতন মৃগদাবে জগতে প্রথম ধর্মচক্র প্রবর্তন করেন।
বুদ্ধের ধর্ম অভিযান ৪৫ বছর পর্যন্ত চলে। এই সময়ে তিনি চারি পরিষদ গঠন করেন এবং ধর্ম প্রচার অভিযানের মাধ্যমে সত্ত্বগণকে দুঃখমুক্তির পথ দেখান। ৮০ বছর বয়সে বুদ্ধ কুশিনগরের জোড়া শালবৃক্ষের নিচে নির্বাণশয্যায় শায়িত হন।




















