বড়দিন কেন বড়, এর মূল কারণ হলো যিশুখ্রিষ্টের অনবদ্য জীবন ও শিক্ষা। তাঁর জন্ম, মৃত্যু, পুনরুত্থান, স্বর্গে আরোহণ এবং পুনরাগমন—এই পাঁচটি ঘটনা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। বড়দিন আমাদের শান্তি, প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার বার্তা দেয়।
বর্তমান পৃথিবীতে বড়দিনকে কেন্দ্র করে যত আয়োজন, তাতে ঐশ্বরিক বিষয়ের চেয়ে মানুষ জাগতিক বিষয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত আনন্দ পায় যারা তাঁর বাক্যকে সম্মান ও পালন করে।
বড়দিনের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বুঝতে হলে যিশুর বাক্য পালন করা, পাপের পথ থেকে জীবনের পথে ফিরে আসা, মানুষকে ভালোবাসা, দান করা, সেবা করা এবং শেষ বিচার সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বড়দিন মানে রাজা হয়েও প্রজার মাঝে মিশে যাওয়া, পাপী হয়েও পুণ্য পিতার স্পর্শ পাওয়া, নিঃস্ব হয়েও ফুলের মতো বিশ্ব গড়া। এটি শান্তিরাজ যিশুর অকপটে স্বীকৃতি।
সেই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, যিশু দীনবেশে গোশালায় নয়, বরং রাজার বেশে মহাপ্রতাপে এসে দেখা দেবেন। সেই কথা স্মরণ করে পাপের পথে থেকো নারে জগতের এই শেষবেলায়।




















