দ্য পালস টুডে
EN
ব্রেকিং
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ২০ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৯ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৬ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)সাদিপুর ইউনিয়নের জলাবদ্ধতা দূর করবেন সজীব: ৫০ হাজার মানুষের আশা জাগলোফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৫ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১২ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১১ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১০ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৮ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৭ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)নারী পুলিশের উত্থান: বিশ্বাস গড়ে উঠছে, বাধা ভাঙ্গছেজুলাই বিপ্লব কোন গোষ্ঠীর নয়, সকলের: মির হেলালঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার: বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগরংপুরে ৪৫৫টি যাবা গুলিসহ মহিলা গ্রেফতাররংপুর সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ রাবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনে আয়োজন করেছে অনুষ্ঠানকারমাইকেল কলেজে ৫৫০টি বিরল ও বিপন্ন বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগনরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফ্যান্টিনোর পদত্যাগ দাবি করছেজামাত-এ-ইসলামির মতে রাজনীতি হল স্বাস্থ্যকর সাংস্কৃতিক অনুশীলনের স্থানসিরিয়ার জারামানায় বাস বিস্ফোরণে ১৪ জন আহত, মৃতের খবর নেইদিনাজপুরে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের নকল ভেশ ধরে টাকা ও মোবাইল দাবীর অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবকফ্রান্সে হ্যান্টাভাইরাস রোগীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগকারীদের জন্য বাড়িতে থাকার পরামর্শসৌদি আরবে পৌঁছেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এর্দোয়ান, সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যসার্বিয়ার রুদার গ্র্যান্ডমাস্টারস চেস টুর্নামেন্টে শীর্ষে বাংলাদেশের তাহসিননিরাপত্তা কারণে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে নির্বাচন স্থগিত: দুটি জেলা প্রভাবিতভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় প্রায় শত জনের মৃত্যু, অসংখ্য ক্ষতিগ্রস্ত

সকলের সহযোগিতায় ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সবার সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লিখেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
সবার সহযোগিতা পেলে ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সবার সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেছেন, ‘সৈনিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ দেশকে যেভাবে কল্পনা করে, সরকার চেষ্টা করছে পর্যায়ক্রমে দেশটাকে সেভাবেই গড়ে তুলতে। আমি বহু বছর দেশে থাকতে পারিনি। কেন পারিনি সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। কারণ, সে সময় দেশে ভালো-মন্দ কী হয়েছে, তা নিয়ে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। কিন্তু এখন আমরা দেশকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।’

দেশ গঠনে সবার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সবারই নির্দিষ্ট কর্তব্য আছে। আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে সেগুলো পালন করি, তবে অবশ্যই আমাদের কাঙ্ক্ষিত দেশটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’

ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আজ ঈদের দিনে আসুন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি এবং তাঁর রহমত কামনা করি, তিনি যাতে আমাদের সবাইকে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে আমরা যাতে সারা দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে পারি এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি—আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া।’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এই প্রীতিভোজের আয়োজন করে। এতে অফিসার ও সৈনিকেরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর অফিসার, সৈনিক এবং তাঁদের সন্তানদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরে তারেক রহমান পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে ঢাকা সেনানিবাসে তাঁর শৈশবকালের স্মৃতি রোমন্থন করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যখন আসছিলাম, সে সময় হঠাৎ মনে হলো আমি ৪৫/৪৬ বছর পেছনে চলে গেছি। আমার সঙ্গে যাঁরা গাড়িতে ছিলেন, তাঁদেরকেও এই গল্পটা বলছি। ১৯৭৫/৭৬ বা ৭৭ সালের কথা হবে। সিএমএইচের গেটটা তখন এত বড় ছিল না। গাড়িতে সঙ্গে থাকা এডিসিকে জিজ্ঞেস করলাম, সিএমএইচে ঢোকার পরে ছোট একটা প্যাথোলজি ছিল; ওটার সামনে বাগানের মতো একটা জায়গা ছিল; সেখানে দু–তিনটা সিমেন্টের বেঞ্চ ছিল; সেগুলো এখনো আছে?

‘তারপর আবার বললাম, একদম সোজা গেলে হাতের বাঁ দিকে ছিল ফ্যামিলি ওয়ার্ড আর ডান দিকে তখন স্টাফ সার্জন বসতেন। আর টিনের ঘরে স্টাফ সার্জন বসতেন। আমার জ্বর হলে একা একাই চলে যেতাম। এখনো মনে আছে, ওই সময়ে স্টাফ সার্জন ছিলেন মেজর আনোয়ার।’

প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণে আরও উঠে আসে প্রতিদিন বিকেলে শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে সাইকেল চালিয়ে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা।

তারেক রহমান বলেন, ‘ওই সময় প্রায় প্রতিদিন বিকেল বেলা বন্ধুদের সঙ্গে বের হতাম ৭-৮টা সাইকেল নিয়ে। সাইকেল চালাতে চালাতে সিগন্যালের কাছে মসজিদটার ওখানে যেতাম। সেই মসজিদটা এখন আরও অনেক সুন্দর! তখন পুরোপুরি সাদা চুনের পেইন্ট করা ছিল।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মূল বিষয়টা হচ্ছে যে এই এলাকাটা বহু পুরোনো। আমরা যেখানে বসে আছি, একসময় এখানে জঙ্গলের মতো ছিল। আপনারা এখন অনেক সুন্দর একটা জায়গা দেখছেন, কিন্তু তখন রাস্তাটা সরু ছিল। আমি আজ এমন একটা স্থানে এসেছি, যেখানে আমার জীবনের বিরাট একটা বড় অংশ জড়িয়ে আছে। আমার ভালো-মন্দ, কষ্ট-ব্যথা, সুখ-দুঃখের বিশাল স্মৃতি এই পুরো এলাকায় মিশে একাকার আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ঈদ, আনন্দের দিন। আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম কারণ এই জায়গাটায় এলে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। কারণ, ছোটবেলা থেকে এখানে বড় হয়েছি। সৈনিকদের ব্যারাকের ভেতরে ঘুরে বেড়াতাম, তাদের সঙ্গে কথা বলতাম।’

অফিসার ও সৈনিকদের দেশমাতৃকার প্রতি দায়িত্ববোধের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেশের প্রয়োজনে অনেকেই হয়তো আজ ছুটিতে যেতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবে ঈদের সময় মানুষ পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চায়। আপনাদের স্যাক্রিফাইসের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দেশ এবং জাতি আপনাদের এই আত্মত্যাগকে অবশ্যই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের দায়িত্ব পালন ও কল্যাণের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সরকার অবগত রয়েছে। সাম্প্রতিক একটা ভিডিওকে আপনাদের সাফল্যের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছিল; দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন ধরানো হয়েছিল। আপনারা সেখান থেকে প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছিলেন। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।’

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে সৈনিকেরা জীবন দেয়। আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, সেই জীবন এবং সেই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা। আর সেটির প্রথম শর্ত হচ্ছে নিজের দেশ সম্পর্কে সবার আগে চিন্তা করা। কারণ, আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালো অবস্থানে দেখতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজের সকল স্তরের মানুষ চায়, তাদের সন্তানেরা যেন সুন্দরভাবে লেখাপড়া করার সুযোগ পায় এবং পরিবারের সদস্যরা যাতে সুচিকিৎসার সুযোগ পায়। সাধারণত মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।’

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রধানমন্ত্রী কী বক্তব্য দিয়েছেন?
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবার সহযোগিতায় ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব।
বক্তব্যটি কোথায় দেওয়া হয়েছে?
ঈদুল আজহার দিন ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে।

বিষয়

মন্তব্য

আরও: রাজনীতি

সব দেখুন →
Liberation War Ministry expresses regret over July Uprising documentary incident | National
রাজনীতি

জুলাই বিদ্রোহ ডকুমেন্টারির অসঙ্গতির জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রকের ক্ষমাপ্রার্থনা

PM joins doa mahfil marking Mahbub Ali Khan's death anniversary | News
রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিলে যোগ দিলেন

Giving Sheikh Hasina a platform to speak is an insult to Bangladesh’s sovereignty: Rizvi | News
রাজনীতি

শেখ হাসিনার বক্তৃতা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব অবমাননা: রিজভি

Zubaida Rahman pays tribute at her father’s grave marking death anniversary | News
রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী জুবাইদা রহমান পিতার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন

Ariful offers doa on ex-Navy chief's death anniversary | Others
রাজনীতি

সাইলেটে শির্ণি বিতরণ ও নামাজ: প্রাক্তন নৌ বীর মহবুবের স্মৃতিতে

Obaidur Rahman made housing and public works ministry's new secy | Others
রাজনীতি

ওবাইদুর রহমান আবাসন ও সার্বজনীন কৃতি মন্ত্রকের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ

বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রী চিকিৎসককে বরখাস্ত করলেন
রাজনীতি

বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রী চিকিৎসককে বরখাস্ত করলেন

সর্বশেষ সংবাদ

2 held on charges of extortion posing as DB | District
বাংলাদেশ

দিনাজপুরে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের নকল ভেশ ধরে টাকা ও মোবাইল দাবীর অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবক

France recommends home isolation for close contacts of hantavirus case, risk  'low' | International
আন্তর্জাতিক

ফ্রান্সে হ্যান্টাভাইরাস রোগীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগকারীদের জন্য বাড়িতে থাকার পরামর্শ

Turkey's President Erdogan lands in Jeddah: Saudi media | International
আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এর্দোয়ান, সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য

Tahsin shares lead at chess tournament in Serbia | Sports
খেলা

সার্বিয়ার রুদার গ্র্যান্ডমাস্টারস চেস টুর্নামেন্টে শীর্ষে বাংলাদেশের তাহসিন

Journalists, owners, govt working together to protect media interests: Information Minister | News Flash
বাংলাদেশ

তথ্যমন্ত্রী বললেন, মিডিয়ার স্বার্থ রক্ষায় সাংবাদিক, মালিক ও সরকার একসাথে কাজ করছে

China confirms sailors died in 2025 South China Sea collision | International
আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা নৌবাহিনী ও উপকূল রক্ষীবাহিনীর সংঘর্ষে দুই নাবিকের মৃত্যু

Indonesia battles Mount Bromo wildfire as El Nino takes root | News
আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ায় মাউন্ট ব্রোমোয় তীব্র অগ্নিকাণ্ড, শুকনো মৌসুমে নিয়ন্ত্রণ কঠিন

South Korea recovers landmines washed from North by floods | International
আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ কোরিয়ায় বন্যার কারণে উত্তর কোরিয়া থেকে মাইন বয়ে আসা