দ্য পালস টুডে
EN
ব্রেকিং
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ২০ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৯ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৬ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)সাদিপুর ইউনিয়নের জলাবদ্ধতা দূর করবেন সজীব: ৫০ হাজার মানুষের আশা জাগলোফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৫ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১২ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১১ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১০ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৮ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৭ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)সাবেক গুগল কর্মীর চিঠিতে এআই-এর বিপন্নতার সতর্কবাণীকানাডার প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের কাছে দেশের সুযোগ উপস্থাপন করছেনমিন্টুর সামাজিক অবক্ষয় ও দুর্নীতি রোধে সম্মিলিত চেষ্টার দাবিকাইকোবাদের আহ্বান: সকলের সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে হজ্জ অভিযানতথ্য মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার দাবিহ্যান্সি ফ্লিক লামিন ইয়ামালের ব্যালন ডি'অর দাবিতে সমর্থন দিলেনটাস্কিন ও ইবাদতের উদ্যোগে দেশব্যাপী ফাস্ট বোলার হান্টের সূচনাশিল্প অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ উন্নতির ফলে ব্যবসায়ীরা পাচ্ছেন স্বাচ্ছন্দ্যরাষ্ট্রপতির আহ্বান: সিলেটের পর্যটন ও চা শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধিরবি ও বিসিবি দেশব্যাপী নতুন বোলার আবিষ্কারের জন্য 'রবি বোলার হান্ট' শুরু করলসাংস্কৃতিক মন্ত্রী নজরুলের আদর্শ অনুসরণে যুব সম্প্রদায়কে আহ্বান করলেনমুডি’স বাংলাদেশের সার্বভৌম আউটলুক স্থিতিশীলে উন্নীত করেছেশেয়ারবাজারে চাপ কমার আশ্বাসের সাথে ফিরল ব্যারেন হান্টিংশান্তো বিপিএলকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছেনবালোঁ দ’অরের ভোটের সময় কমে, তারকারা অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রচারণায় অগ্রসর

সকলের সহযোগিতায় ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সবার সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লিখেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
সবার সহযোগিতা পেলে ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সবার সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেছেন, ‘সৈনিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ দেশকে যেভাবে কল্পনা করে, সরকার চেষ্টা করছে পর্যায়ক্রমে দেশটাকে সেভাবেই গড়ে তুলতে। আমি বহু বছর দেশে থাকতে পারিনি। কেন পারিনি সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। কারণ, সে সময় দেশে ভালো-মন্দ কী হয়েছে, তা নিয়ে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। কিন্তু এখন আমরা দেশকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।’

দেশ গঠনে সবার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সবারই নির্দিষ্ট কর্তব্য আছে। আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে সেগুলো পালন করি, তবে অবশ্যই আমাদের কাঙ্ক্ষিত দেশটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’

ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আজ ঈদের দিনে আসুন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি এবং তাঁর রহমত কামনা করি, তিনি যাতে আমাদের সবাইকে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে আমরা যাতে সারা দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে পারি এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি—আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া।’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এই প্রীতিভোজের আয়োজন করে। এতে অফিসার ও সৈনিকেরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর অফিসার, সৈনিক এবং তাঁদের সন্তানদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরে তারেক রহমান পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে ঢাকা সেনানিবাসে তাঁর শৈশবকালের স্মৃতি রোমন্থন করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যখন আসছিলাম, সে সময় হঠাৎ মনে হলো আমি ৪৫/৪৬ বছর পেছনে চলে গেছি। আমার সঙ্গে যাঁরা গাড়িতে ছিলেন, তাঁদেরকেও এই গল্পটা বলছি। ১৯৭৫/৭৬ বা ৭৭ সালের কথা হবে। সিএমএইচের গেটটা তখন এত বড় ছিল না। গাড়িতে সঙ্গে থাকা এডিসিকে জিজ্ঞেস করলাম, সিএমএইচে ঢোকার পরে ছোট একটা প্যাথোলজি ছিল; ওটার সামনে বাগানের মতো একটা জায়গা ছিল; সেখানে দু–তিনটা সিমেন্টের বেঞ্চ ছিল; সেগুলো এখনো আছে?

‘তারপর আবার বললাম, একদম সোজা গেলে হাতের বাঁ দিকে ছিল ফ্যামিলি ওয়ার্ড আর ডান দিকে তখন স্টাফ সার্জন বসতেন। আর টিনের ঘরে স্টাফ সার্জন বসতেন। আমার জ্বর হলে একা একাই চলে যেতাম। এখনো মনে আছে, ওই সময়ে স্টাফ সার্জন ছিলেন মেজর আনোয়ার।’

প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণে আরও উঠে আসে প্রতিদিন বিকেলে শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে সাইকেল চালিয়ে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা।

তারেক রহমান বলেন, ‘ওই সময় প্রায় প্রতিদিন বিকেল বেলা বন্ধুদের সঙ্গে বের হতাম ৭-৮টা সাইকেল নিয়ে। সাইকেল চালাতে চালাতে সিগন্যালের কাছে মসজিদটার ওখানে যেতাম। সেই মসজিদটা এখন আরও অনেক সুন্দর! তখন পুরোপুরি সাদা চুনের পেইন্ট করা ছিল।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মূল বিষয়টা হচ্ছে যে এই এলাকাটা বহু পুরোনো। আমরা যেখানে বসে আছি, একসময় এখানে জঙ্গলের মতো ছিল। আপনারা এখন অনেক সুন্দর একটা জায়গা দেখছেন, কিন্তু তখন রাস্তাটা সরু ছিল। আমি আজ এমন একটা স্থানে এসেছি, যেখানে আমার জীবনের বিরাট একটা বড় অংশ জড়িয়ে আছে। আমার ভালো-মন্দ, কষ্ট-ব্যথা, সুখ-দুঃখের বিশাল স্মৃতি এই পুরো এলাকায় মিশে একাকার আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ঈদ, আনন্দের দিন। আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম কারণ এই জায়গাটায় এলে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। কারণ, ছোটবেলা থেকে এখানে বড় হয়েছি। সৈনিকদের ব্যারাকের ভেতরে ঘুরে বেড়াতাম, তাদের সঙ্গে কথা বলতাম।’

অফিসার ও সৈনিকদের দেশমাতৃকার প্রতি দায়িত্ববোধের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেশের প্রয়োজনে অনেকেই হয়তো আজ ছুটিতে যেতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবে ঈদের সময় মানুষ পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চায়। আপনাদের স্যাক্রিফাইসের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দেশ এবং জাতি আপনাদের এই আত্মত্যাগকে অবশ্যই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের দায়িত্ব পালন ও কল্যাণের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সরকার অবগত রয়েছে। সাম্প্রতিক একটা ভিডিওকে আপনাদের সাফল্যের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছিল; দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন ধরানো হয়েছিল। আপনারা সেখান থেকে প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছিলেন। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।’

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে সৈনিকেরা জীবন দেয়। আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, সেই জীবন এবং সেই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা। আর সেটির প্রথম শর্ত হচ্ছে নিজের দেশ সম্পর্কে সবার আগে চিন্তা করা। কারণ, আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালো অবস্থানে দেখতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজের সকল স্তরের মানুষ চায়, তাদের সন্তানেরা যেন সুন্দরভাবে লেখাপড়া করার সুযোগ পায় এবং পরিবারের সদস্যরা যাতে সুচিকিৎসার সুযোগ পায়। সাধারণত মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।’

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রধানমন্ত্রী কী বক্তব্য দিয়েছেন?
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবার সহযোগিতায় ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব।
বক্তব্যটি কোথায় দেওয়া হয়েছে?
ঈদুল আজহার দিন ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে।

বিষয়

মন্তব্য

আরও: রাজনীতি

সব দেখুন →
National treasure Kaptai Lake livelihoods of many CHT residents: Nazim | District
রাজনীতি

নাজিমের দাবি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ কাপ্তাই হ্রদ চট্টগ্রাম পাহাড়ি জেলাবাসীর জীবিকা

PM’s initiative brings new homes to martyr’s family, five arson-hit families  | News
রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে শহীদের পরিবার ও আগুনে পুড়ে যাওয়া পরিবারকে নতুন বাড়ির চাবি

Mohila Dal's 48th founding anniversary celebrated in Rajshahi | District
রাজনীতি

রাজশাহীতে উদযাপিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

Strong democracy crucial for ensuring rights of all communities: President | News Flash
রাজনীতি

রাষ্ট্রপতি বললেন, সব জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে শক্তিশালী গণতন্ত্র অপরিহার্য

Satkhira Press Club leaders meet Law Minister Asaduzzaman | News
রাজনীতি

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের সাথে বৈঠকে বসেছে

Hasina was mastermind behind enforced disappearances, killings: Speaker | News Flash
রাজনীতি

স্পিকারের অভিযোগ: শেখ হাসিনার শাসনামলে বাধ্যতামূলক অদৃশ্যকরণ ও হত্যা

Rizvi for making women self-reliant through education  | News Flash
রাজনীতি

মহিলাদের শিক্ষা ও আর্থিক স্বাধীনতায় রিজভীর আহ্বান

Rizvi calls for unity to protect the country | News Flash
রাজনীতি

রিজভি দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান দিলেন

PM gives financial assistance to mosques, temples in Dhaka-17 | News Flash
রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-১৭-এ মসজিদ ও মন্দিরের জন্য আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করলেন

সৌরশক্তিতে স্বাবলম্বী হবে দেশ: প্রধানমন্ত্রী
রাজনীতি

সৌরশক্তিতে স্বাবলম্বী হবে দেশ: প্রধানমন্ত্রী

Freedom of speech must not cross limits of decency: PM | JS Session
রাজনীতি

সংসদ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী: ভাষার মর্যাদা রক্ষায় অশালীনতা বন্ধ করতে হবে

President urges ACC to take stern action against the corrupt regardless of power, status | News Flash
রাজনীতি

রাষ্ট্রপতি দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এসিসি-কে অনুরোধ করেছেন

সর্বশেষ সংবাদ

Gas supply improves in industrial areas; businesses get comfort | At a Glance
বাংলাদেশ

শিল্প অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ উন্নতির ফলে ব্যবসায়ীরা পাচ্ছেন স্বাচ্ছন্দ্য

President stresses more investment in Sylhet’s tourism, tea industries | News Flash
বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতির আহ্বান: সিলেটের পর্যটন ও চা শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি

Robi, BCB launch nationwide search for bowling stars | Sports
খেলা

রবি ও বিসিবি দেশব্যাপী নতুন বোলার আবিষ্কারের জন্য 'রবি বোলার হান্ট' শুরু করল

Cultural minister urges youth to embrace Nazrul’s ideals | News
বাংলাদেশ

সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নজরুলের আদর্শ অনুসরণে যুব সম্প্রদায়কে আহ্বান করলেন

Bangladesh’s sovereign outlook raised to stable by Moody’s | News Flash
অর্থনীতি

মুডি’স বাংলাদেশের সার্বভৌম আউটলুক স্থিতিশীলে উন্নীত করেছে

Shanto sees BPL as platform for emerging cricketers | Sports
খেলা

শান্তো বিপিএলকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছেন

As Ballon d'Or vote nears, stars campaign for the award | Sports
খেলা

বালোঁ দ’অরের ভোটের সময় কমে, তারকারা অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রচারণায় অগ্রসর

WTO warns of 'most serious and sustained' trade disruptions | International
বাণিজ্য

WTO সতর্ক করেছে: বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদী ও গুরুতর বিঘ্নের হুমকি

Millions affected as floods strike India's Bihar | International
আন্তর্জাতিক

বিহারে বন্যার কারণে প্রায় পাঁচ মিলিয়ন মানুষ প্রভাবিত, ২০ জন মারা গেছেন

Dr Zubaida calls for supportive environment for children to realise full potential  | News Flash
শিক্ষা

ডঃ জুবায়েদা শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন

China retail sales growth weakens further in August | Business
অর্থনীতি

চীনের খুচরা বিক্রি আগস্টে আরও কমেছে, বৃদ্ধির হার সর্বনিম্ন

Berlin's run-down public spaces at heart of election campaign | International
আন্তর্জাতিক

বার্লিনের রাজ্য নির্বাচনে রাজনীতিবিদরা নগরীর অবনমিত স্থানগুলোর উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিলেন

রাশিয়ায় কঠোর নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন: যুদ্ধের পঞ্চম বছরে ক্রেমলিনের চাপমাপ
আন্তর্জাতিক

রাশিয়ায় কঠোর নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন: যুদ্ধের পঞ্চম বছরে ক্রেমলিনের চাপমাপ

US military says Iran war has led to munitions shortfall | News Flash
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদের ঘাটতি মাথা চড়া