চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, বাজেটে ঋণের বোঝা বেশি থাকায় তা পরিবর্তন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় না পৌঁছানো গেলে বাজেটের সুফল পাওয়া যাবে না। এ জন্য বাজেটের সুষম বণ্টন দরকার।
সোমবার দুপুরে ‘বাংলাদেশের আগামী অর্থবছরের বাজেট: আমাদের ভাবনা ও জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ বৈঠক আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘প্রতিবছর ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। সরকার যে বাজেট পেশ করছে, সেখানে ঋণের বোঝা বেশি। এটা হতে পারে না। এটা পরিবর্তন করতে হবে।’
তিনি বলেন, স্বাধীনতা–পরবর্তী সময়ে যাঁরা রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন, তাঁদের সঙ্গে বর্তমানে যাঁরা দেশ পরিচালনা করছেন, তাঁদের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। কারণ, এই সরকার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জুলুম, নির্যাতন ও বৈষম্য নিরসনের জন্য এসেছে।
চরমোনাই পীর বলেন, যে নীতি-আদর্শের মাধ্যমে এত দিন দেশ পরিচালিত হয়েছে, সেটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করতে পারেনি। যতক্ষণ পর্যন্ত ইসলামী শরিয়াহ আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালিত না হবে, বাজেট নিয়ে যতই আলোচনা হোক, ফল আশা করা যাবে না।
মানুষের কল্যাণ চাইলে বাজেটের মাধ্যমে জনগণের চাওয়া-পাওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়ে সবাইকে আন্তরিক আর সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান চরমোনাই পীর। তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার বিষয়টি সরকার যেন আন্তরিকতার সঙ্গে দেখে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সবাইকে নিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন। সরকার যেন সেই ওয়াদা বাস্তবায়ন করে।



















