বয়স ৩০ পেরোলে লাল মাংস খাওয়া কমিয়ে আনা ভালো। ৪০-এর কোঠায় গেলে লাল মাংসে আরও লাগাম টানা উচিত। তবে লাল মাংস পুরোপুরি বাদ দিতে হবে না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ফলে অতিরিক্ত চর্বি জমতে থাকে। লাল মাংসে অতিরিক্ত সম্পৃক্ত চর্বি থাকে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে। হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
লাল মাংসের উপকারিতা
লাল মাংস পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, আয়রন, জিংক, ভিটামিন বি–১২সহ নানা প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। শরীর গঠন, পেশি মজবুত ও রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তরুণ বয়সে পরিমিত লাল মাংস খাওয়া তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ।
লাল মাংস খাওয়ার বিকল্প
বয়স ৪০-এর কোঠায় গেলে লাল মাংসের পরিমাণ কমানো দরকার। বদলে মাছ, মুরগি, ডাল ও শাকসবজির দিকে ঝোঁক বাড়ানো ভালো। সপ্তাহে এক বা দুই দিন, অথবা মাঝেমধ্যে অল্প পরিমাণে চর্বি ছাড়া টাটকা মাংস খাওয়া তুলনামূলক নিরাপদ। তবে প্রক্রিয়াজাত লাল মাংস এড়িয়ে চলা উচিত।



















