গ্রামের অনেক মানুষের কাছে কু-পাখির ডাক ভীষণ অমঙ্গলের সংকেত, কিন্তু আসলে এরা অশুভ নয়। গ্রামের লোকজন বিশ্বাস করে, কু-পাখির ডাক শোনা মানে নিশ্চয়ই কেউ মারা যাবে অথবা অশুভ কিছু ঘটবে। কিন্তু এই বিশ্বাসের পিছনে বাস্তবতা নেই। কু-পাখি আসলে দুই ধরনের প্যাঁচা: কালপ্যাঁচা এবং কণ্ঠী নিমপ্যাঁচা।
কালপ্যাঁচা কিংবা কণ্ঠী নিমপ্যাঁচা—দুটোই ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের জীবনে কল্যাণ বয়ে আনে। কালপ্যাঁচা বাজপাখির মতো ছোঁ মেরে ইঁদুর শিকার করে থাকে। তাই এর মতো বন্ধু আর দ্বিতীয়টি নেই।
কু-পাখি কেন ডাকে?
এই পাখিরা নিজেদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদানের জন্য ডাকে। কখনো কখনো নিজের সীমানা নির্ধারণের জন্যও ওরা ডেকে থাকে। প্রজনন ঋতুতে ডাকাডাকিটা বেড়ে যায়। কিন্তু এতে মানুষের ক্ষতি হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই।


















