ফিটনেস দুনিয়ায় এখন আলোচিত শব্দযুগল হলো ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’ বা আইএফ। এটি খাবার গ্রহণের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্যাটার্ন, যেখানে ‘কী খাবেন’ তার চেয়ে ‘কখন খাবেন’-এর ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শরীরের অভ্যন্তরীণ সুস্থতা ফেরাতে এ পদ্ধতি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের উপকারিতা
ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শরীরের বিপাকপ্রক্রিয়া বা মেটাবলিজমকে উন্নত করে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীর গ্লুকোজের বদলে জমানো চর্বি পুড়িয়ে শক্তি তৈরি করতে শুরু করে, যা ‘মেটাবলিক সুইচ’ নামে পরিচিত। এর ফলে দ্রুত মেদ ঝরে যায়। এছাড়া এই পদ্ধতিতে শরীরে ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।
সতর্কতা
তবে একটানা খুব কঠোর ফাস্টিং দীর্ঘ সময় করলে শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করলে শরীরকে মাঝেমধ্যে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি। প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর এক সপ্তাহ বিরতি দিয়ে সাধারণ খাদ্যাভ্যাসে ফিরে আসা ভালো। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং সবার জন্য নয়, অন্তঃসত্ত্বা নারী, স্তন্যদানকারী মা, ১৮ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরী এবং যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম, তাদের জন্য এই পদ্ধতি ক্ষতিকর হতে পারে।



















