হাত কাঁপাকে শুধুমাত্র পারকিনসনস বলে ধরে নেওয়া ভুল, এর অনেক কারণ আছে। হাত কাঁপার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ‘এসেনশিয়াল ট্রেমর’। এটি সাধারণত বংশগত হতে পারে। পারকিনসনের সঙ্গে এর মূল পার্থক্য হলো, এসেনশিয়াল ট্রেমর সাধারণত কোনো কাজ করার সময় পরিলক্ষিত হয়। অন্যদিকে পারকিনসনস রোগের কাঁপুনিকে বলা হয় ‘রেস্টিং ট্রেমর’। অর্থাৎ হাত যখন স্থির বা বিশ্রামে থাকে, তখন এটি বেশি কাঁপে।
পারকিনসনসের লক্ষণসমূহ:
কেবল হাত কাঁপা দিয়েই পারকিনসনস শনাক্ত করা যায় না। এই রোগের সঙ্গে আরও কিছু স্নায়বিক পরিবর্তন ঘটে থাকে, যেমন: ধীরগতি, মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া, ভারসাম্যহীনতা এবং হাতের লেখার পরিবর্তন।
হাত কাঁপার অন্যান্য কারণ:
পারকিনসনস ছাড়াও আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের নানা কারণে হাত কাঁপতে পারে, যেমন অতিরিক্ত ক্যাফেইন, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ, থাইরয়েড সমস্যা, রক্তে শর্করা কমে যাওয়া এবং ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।



















