ঈদের দিনগুলোতে রেডমিট খাওয়ার নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনি ভয় ছাড়াই রেডমিট উপভোগ করতে পারেন। রেডমিট হলেও প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের উৎস। তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি।
কিভাবে রেডমিট খাবেন?
১) সপ্তাহে ১ দিনের বেশি রেডমিট খাবেন না। ২) বয়স কম এমন গরু খাসি বা মহিষের মাংস খাবেন। ৩) সয়াবিন তেলে মাংস রান্না না করে, খুবই কম পরিমাণে শর্ষের তেল বা সানফ্লাওয়ার ওয়েলে রান্না করবেন। ৪) মাংস কাটার সময় অতিরিক্ত চর্বি কেটে ফেলে দেবেন। ৫) মাংসের ঝোল না খেতে চেষ্টা করবেন। ৬) রেডমিটের সঙ্গে ভিটামিন ‘সি’–সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, যেমন লেবু। ৭) মাংস রান্নার সময় পটাশিয়ামসমৃদ্ধ সবজি যোগ করুন। যেমন টমেটো, আলুবোখারা। ৮) মাংস রান্নার আগে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নেবেন। ৯) অনেক দিন পরে রেডমিট খাচ্ছেন, এই ভেবে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। ১০) অতিরিক্ত রেডমিট কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়াতে পারে তাই সঙ্গে সবজি ও সালাদ খান।
শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় রেডমিট খাবেন
শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে, বয়স ওজন, উচ্চতা এবং বিএমআই অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে রেডমিট খাবেন। শিশুদের প্রতি কেজি শারীরিক ওজনের জন্য ১ দশমিক ৫ থেকে ২ গ্রাম করে প্রোটিন দরকার। পূর্ণবয়স্ক প্রতি কেজি শারীরিক ওজনের জন্য ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৫ গ্রাম করে প্রোটিন লাগে। এই হিসাবে সারা দিনের প্রোটিনের চাহিদা অনুযায়ী মাংসসহ অন্যান্য খাবার খাওয়া যাবে। মনে রাখবেন প্রতি ১০০ গ্রাম রেডমিটে গড়ে ২২ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন থাকে। প্রয়োজনে একজন ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেবেন।



















