ঈদে এই বছর কারওয়ান বাজারের মো. আমজাদ ১০টি গরু কাটবেন। গতবছর তিনি ১৪টি গরু কাটেছিলেন। তাঁর দোকানের নাম 'আমজাদ এন্টারপ্রাইজ'।
আমজাদ বলেছেন, 'এবার ১০টার বেশি কাটব না। শরীরও তো একটা জিনিস।' তিনি বর্তমানে ছয়জনের সাথে কাজ করেন।
কোরবানির মৌসুমে কসাইদের পারিশ্রমিক নির্ধারণের আলাদা হিসাব আছে। সাধারণত গরুর দাম অনুযায়ী মাংস কাটার রেট ধরা হয়। সকালে 'হাজারে ২০০ টাকা' হিসাবে কাজ নেওয়া হয়। বিকেলে হাজারে ১০০ টাকাতেও কাজ করা হয়।
আমজাদের সঙ্গে এই বছর ছয়জনের দল কাজ করবে। তিনজন পেশাদার আর তিনজন অনভিজ্ঞ বা সহকারী। পেশাদাররা গরু জবাইয়ের জন্য প্রস্তুত করে, চামড়া ছাড়ায়, মাংসের মূল অংশ কেটে আলাদা করে; আর সহকারীরা মাংস টুকরা, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার কাজে সাহায্য করে।
আমজাদ তাঁর সন্তানদের এই পেশায় দেখতে চান না। তাঁর দুই সন্তান পড়াশোনা করছে। বড় ছেলে আগামী বছর এসএসসি দেবে। তিনি চান তারা অন্য কিছু করুক।



















