সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মিথ্যা বার্তা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এ ধরনের বার্তাগুলো প্রতারক চক্রের ফাঁদ বলে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সতর্ক করেছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমন কোনো বার্তা ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো হচ্ছে না। তবে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ গত ৭ মে ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে।
প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে জানুন ৭ তথ্য:
১. গত ৭ মে ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। ২. তবে প্রাথমিকভাবে আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি ম্যানুয়ালি বিশ্লেষণ করে ডাকযোগে মালিকের ঠিকানায় মামলার তথ্য পাঠানো হচ্ছে। ৩. সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী, গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের/ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে। ৪. প্রয়োজনে ০১৩২০-০৪২২০৭ ও ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে খুদে বার্তা পাঠানো হয়ে থাকে। ৫. ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের জরিমানা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের (উপায় ও সিবিবিএল) মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। ৬. ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কখনোই আপনার কোনো পিন কোড, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি জানতে চাইবে না। ৭. ট্রাফিক এআই/ভিডিও মামলার তথ্যসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানতে ০১৩২০-০৪২২০৭ ও ০১৩২০-০৪২২২৭ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।



















