রান্নাঘরের কাজ সহজ করতে অনেকেই ভরসা রাখছেন তৈরিকৃত বাটা মসলার ওপর। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের জন্য দ্রুত রান্নার সহজ সমাধান এই বাটা মসলা। তবে বাজারজাত করা বাটা মসলার এই জনপ্রিয়তার পাশাপাশি প্রশ্ন আসে, এই মসলাগুলো আসলে কতটা স্বাস্থ্যকর? দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য রাখতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে এই মসলাগুলোতে?
মসলার স্বাস্থ্যকরতা নিয়ে প্রশ্ন
এভারকেয়ার হাসপাতালের পথ্য ব্যবস্থাবিদ্যা বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরীর মতে, বাজারে বিক্রি হওয়া অনেক বাটা মসলার দীর্ঘ ‘শেলফ লাইফ’ থাকে। তবে বাসায় তৈরি বাটা মসলা খুব দ্রুত রং পরিবর্তন করে এবং বেশি দিন ভালো থাকে না। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য সেখানে কোনো ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।
পণ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরামর্শ
পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী বলেন, প্রথমেই দেখতে হবে পণ্যে সরকারি অনুমোদনের কোনো সনদ আছে কি না। যেমন বিএসটিআইয়ের লোগো বা অনুমোদন। পাশাপাশি পণ্যের মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, উৎপাদনের তারিখ ও প্যাকেটের সিল ঠিক আছে কি না, সেটিও যাচাই করা জরুরি। তিনি বলেন, সুপারশপগুলোতে সাধারণত নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রেখে এসব পণ্য সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু অনেক ছোট দোকানে সেই ব্যবস্থা না–ও থাকতে পারে। ফলে পণ্যের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে সব সময় এসব পণ্যের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাসায় তৈরি মসলাই ব্যবহার করা ভালো বলে পরামর্শ দেন তিনি।
















