এমিলিয়া ক্লার্ক, বিশ্বের কোটি দর্শকের কাছে ‘ড্রাগনের মা’ হিসেবে পরিচিত, তবে পর্দার আড়ালে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটি ছিল নিজের জীবন বাঁচানোর লড়াই। মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি প্রথমবার এবং ২৪ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হন। দুবারই জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর জীবন বাঁচানো হয়।
পর্দার আড়ালে যুদ্ধ
এমিলিয়া ক্লার্কের অভিনীত ‘গেম অব থ্রোনস’ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলতে শুরু করেছিল যখন তিনি মাত্র ২২ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হন। দুবারের মস্তিষ্কের আঘাতের পর তিনি দীর্ঘ পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে যান। তবে তিনি কাজ থামাননি এবং দর্শকদের কাছে শক্তিশালী ডেনেরিস টারগারিয়েন চরিত্রে ফিরে আসেন।
নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের জন্য
২০১৯ সালে এমিলিয়া ক্লার্ক নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে জানান এবং তাঁর মা জেনি ক্লার্কের সাথে মিলে ‘সেম ইউ’ নামের একটি দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থাটির লক্ষ্য মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া রোগীদের পুনর্বাসন ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা।
বেঁচে থাকা নয়, ফিরে পাওয়া
এমিলিয়া ক্লার্কের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হলো, ‘রিকভারি ইজ অ্যাজ ইমপর্ট্যান্ট অ্যাজ সারভাইভাল।’ অর্থাৎ শুধু বেঁচে থাকাই যথেষ্ট নয়, একজন মানুষকে তাঁর জীবন, আত্মবিশ্বাস, স্বপ্ন ও পরিচয় ফিরে পাওয়ার সুযোগও দিতে হবে।



















