শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডঃ এ এন এম এহসানুল হক মিলন আজ বলেছেন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, সরকার দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরিত করার জন্য একটি ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী মিলন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রাঙ্গনে আয়োজিত 'ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদ্যাপন ও সৃজনশীল ছাত্র পুরস্কার' অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রীর বক্তব্য
মন্ত্রী বলেন, জুলাই এমন এক মাস যা দেশের মানুষের মন থেকে কখনোই মুছে যাবে না। তিনি বলেন, অত্যন্ত অনুপযুক্ত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসে আমাদের নতুন প্রজন্ম তাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দেশকে এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা করেছে। শত শত শহিদের বলিদানের বিনিময়ে আমরা এই বাংলাদেশ পুনরায় ফিরে পেয়েছি।
শ্রমিকদের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব
ছাত্রদেরকে প্রচলিত শিক্ষার ধারণা ছাড়িয়ে যেতে অনুরোধ করে মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি শিক্ষা সহ দক্ষ মানবসম্পদের বিশ্বব্যাপী চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসী শ্রমিকরাই মূল বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের উৎস। যদি তাদের প্রবাসগমনের আগে প্রযুক্তি শিক্ষার সাথে সজ্জিত করা যায় তাহলে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হবে।
দেশে প্রযুক্তি শিক্ষা আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য আরও চারটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। মন্ত্রী ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার নিজের সংকল্প প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের পর মন্ত্রী কুমিল্লা সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র শহীদ হামিদুর রহমান মজুমদার (সদমান) এবং কিশোরগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র শহীদ সামিদ হোসেনের পরিবারের সদস্যদের কাছে সম্মানসূচক প্রশস্তি পত্র হস্তান্তর করেন। তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আহত ছাত্রদেরকে আনুষ্ঠানিক শাল দিয়ে সম্মানিত করেন।






























