প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বৃহস্পতিবার বলেছেন, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ফলাফলে যাতে কোনো ধরনের করণিক ভুল না থাকে, সে জন্য এখন অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনই বলা যাচ্ছে না, তবে খুব শিগগির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ফলাফল প্রস্তুত হওয়ার পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ফলাফল প্রকাশের পর অভিভাবকেরা খুব সহজেই অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে রেজাল্ট দেখার সবচেয়ে সহজ ও অফিশিয়াল মাধ্যম হলো আইপিইএমআইএসপোর্টাল।
এ বছর সারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থী। এদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বাকি ২০ শতাংশ অর্থাৎ ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয় থেকে।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে মাসিক ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে মাসিক ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরবর্তী তিন বছর এই আর্থিক সুবিধা পাবে। ভবিষ্যতে বৃত্তির এই অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাবনাও বর্তমানে সরকারের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।




















