প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার অফিসের মুখপাত্র ডাঃ মাহদী আমিন আজ তার ফেসবুক পেইজে এই উদ্যোগগুলোর বিবরণ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ব্যতীত দেশের অন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোতে নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে শুরু হয়েছে। ছাত্ররা আগ্রহ ও উৎসাহের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
সরকারের পাঁচ উদ্যোগের বিবরণ
ডাঃ মাহদী আমিন তার ফেসবুক পোস্টে উদ্যোগগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। প্রথমত, বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের মতামত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ব্যতীত অন্য সব শিক্ষা বোর্ডের জন্য পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয়ত, স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যেমন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত বা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধি করা যদি পরিবহন বাধা বা বন্যার কারণে সমস্যা হয়।
তৃতীয়ত, যে সকল ছাত্র অনিষ্ট আবহাওয়া বা অন্য অনিবার্য কারণে কোনও বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি তাদেরকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে স্থগিত পরীক্ষার দিন ও সময়ে একই প্রশ্নপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।
চতুর্থত, ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পত্রের রচনাত্মক বিভাগে প্রশ্নপত্রের ত্রুটি ও অসঙ্গতির কারণে সমস্ত পরীক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্য পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
পঞ্চমত, ত্রুটিপূর্ণ পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারীদের অস্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এইচএসসি শুধুমাত্র পরীক্ষা নয়
ডাঃ মাহদী আমিন আরও বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে এইচএসসি শুধুমাত্র একটি পরীক্ষা নয় বরং তা তাঁদের কাছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনকারীদের ভবিষ্যত গঠনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার পরীক্ষাগুলো যথাযথভাবে পরিচালনা করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বের সঙ্গে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ছাত্রদের কল্যাণ এবং তাঁদের শিক্ষার অবিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করা এই প্রচেষ্টার প্রধান অগ্রাধিকারগুলোর একটি।





























