বন্যা আসার আগেই বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা চালু করেছে। বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস এবং পূর্বনির্ধারিত ট্রিগার ইন্ডিকেটরের উপর ভিত্তি করে উচ্চ ঝুঁকির পরিবারগুলোকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা করে অগ্রাহ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি শক-রেসপনসিভ সোশ্যাল প্রোটেকশন প্রোগ্রামটি চালু করেছে, যাতে সরকারের সোশ্যাল প্রোটেকশন স্কিমের অধীনে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে জরুরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
এই উদ্যোগটি বোলিপাড়া নারী কল্যাণ সমিতির সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে বন্দরবান সদর ও লামা উপজেলায় ১৫,৬০০টি পরিবার বা প্রায় ৭৫,০০০ মানুষ এই উদ্যোগের উপকৃত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে বর্ষাকালীন বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে বন্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়িতে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা বলেছেন, বাংলাদেশে জলবায়ু সংক্রান্ত বিপর্যয় ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য বিপর্যয় আসার আগেই প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সোশ্যাল প্রোটেকশন সিস্টেম শক্তিশালী করছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করে দেশের সোশ্যাল প্রোটেকশন সিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করছে, যাতে জলবায়ু-প্রভাবিত বিপর্যয়ের সময় দ্রুত সহায়তা প্রদান করা যায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যমান সরকারি সেফটি নেট প্রোগ্রামগুলোকে জরুরিকালীন সময়ে দ্রুত প্রসারিত করা যাবে, যাতে প্রভাবিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সময়মতো সহায়তা প্রদান করা যায়।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির অধ্যয়ন অনুসারে, প্রতি ডলারের অগ্রাহ্য ব্যবস্থাপনায় ৭ ডলার পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায় এবং অতিরিক্ত সুবিধা অর্জন করা যায়।






























