পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় এবার কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে বাজারে সরবরাহও বেড়েছে। ফলে দাম কমে যাওয়ায় বাম্পার ফলনেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। কৃষকেরা জানান, মরিচ না তুললে গাছের ক্ষতি হয় এবং পরবর্তী ফলন কমে যেতে পারে। তাই বাধ্য হয়ে লোকসান দিয়েই মরিচ তুলছেন তাঁরা।
কৃষকদের মতামত
বায়া গ্রামের কৃষক আইয়ুব আলী সরদার বলেন, ‘হাটে এখন ১৫-১৬ টাকা কেজি দরে মরিচ বেচতেছি। অথচ জমি থেকে এক কেজি মরিচ তুলতিই শ্রমিককে দেওয়া লাগে ১০ থেকে ১২ টাকা। এর সঙ্গে হাটে আনা ও বাড়িতে ফেরার খরচ আছে কেজিতে আরও ৩-৪ টাকা। তাহলে মরিচ বেইচ্যা খালি তোলার আর আনার খরচই কোনোরকমে উঠতেছে। সার, বীজ, ওষুধ আর জমির বর্গার (ভাড়া) খরচ তো পুরাটাই লস।’
ছেঁচানিয়া গ্রামের কৃষক আরিফ হোসেন বলেন, ‘গাছে ঝুমাঝুম মরিচ ধরিছে। না তুললি গাছ নষ্ট হবি। কিন্তু যে দামে বেচতেছি, তাতে লাভ তো দূরের কথা, খরচও উঠতেছে না।’
কৃষি কর্মকর্তার মতামত
সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ফলন খুব ভালো হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে কৃষকেরা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করে ভালো দাম পেয়েছেন। এখন সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমেছে। তবে সামনে আবার দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




















