দ্য পালস টুডে
EN
ব্রেকিং
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৯ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৬ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)সাদিপুর ইউনিয়নের জলাবদ্ধতা দূর করবেন সজীব: ৫০ হাজার মানুষের আশা জাগলোফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১৫ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১২ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১১ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ১০ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৮ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৭ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: আজকের ম্যাচ — ৬ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)বিমস্টেক নৌ-নিরাপত্তা জন্য নতুন নির্দেশিকা অনুমোদন করলোওয়াশিংটনে মার্কো রুবিও আর লেবাননের রাষ্ট্রপতির আলাপজাসরে দ্রুত বিবাদ সমাধানের জন্য গ্রাম আদালতের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিসাধারণ মানুষের কল্যাণে করদাতার টাকা ব্যয় করছে সরকার: আসাদুজ্জামানতুরস্ক গ্রীসের ৮টি তুর্কি স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্তের নিন্দা করেছেবিশ্বকাপ ফাইনালের আগে লাল ও হলুদ রঙে মাদ্রিদ আচ্ছাদিতভুটানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করেনরাজশাহীতে অধিকারহীন মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য উদ্যোগ জোরদার করার আহ্বানরাঙ্গামাটির অসচ্ছল পরিবারের ৮ মেয়ে ছাত্রীকে দেওয়া হলো 'জয়ী বৃত্তি'আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির সম্মাননাপ্রযুক্তি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশ: সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার না করতেপেরুতে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ৫ জন নিহত, ২১ জন আহতশ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: শ্রমমন্ত্রীরাজশাহীতে টিসিবি পণ্যের ভর্তুকিকৃত বিক্রি শুরু, জনসাধারণের দাম কমবেপ্রফেসর ডাঃ নাজমুস সাদাত গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি নিযুক্ত

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৫ হাজার ৫২০টি মা গাছ পাওয়া গেল

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বনাঞ্চলে ৫ হাজার ৫২০টি মা গাছ পাওয়া গেছে বন বিভাগের জরিপে।

লিখেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
মা গাছ পাওয়া গেল ৫ হাজার, টিকে আছে ১৭ প্রজাতির শুধু একটি করে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বনাঞ্চলে জরিপ চালিয়ে ৫ হাজার ৫২০টি মা গাছের সন্ধান পেয়েছে বন বিভাগ। জরিপে চিহ্নিত ৭৫ প্রজাতির মধ্যে ১৭ প্রজাতির মা গাছ টিকে আছে মাত্র একটি করে।

বনবিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিনের নির্বিচার গাছ কাটা, বনভূমি দখল ও দুর্বল প্রাকৃতিক পুনরুৎপাদনের কারণে দেশীয় মূল্যবান গাছের অস্তিত্ব এখন হুমকিতে রয়েছে।

গত ২২ মে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) একটি জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম আলোতে ‘টিকে আছে মাত্র ৫০০ মা গাছ’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মা গাছের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয়ের নির্দেশ আসে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে।

বন বিভাগ গত ২৩ মে থেকে টানা ১৩ দিন চট্টগ্রাম দক্ষিণ, কক্সবাজার উত্তর, কক্সবাজার দক্ষিণ, চট্টগ্রাম বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন বনাঞ্চলে জরিপ চালায়। সেই জরিপে ৫ হাজার ৫২০টি মা গাছের সন্ধান মেলে।

মা গাছ বা ‘ফরেস্ট সিড ট্রি’ কোনো প্রজাতির এমন একটি পরিণত গাছ, যার রয়েছে উন্নত জিনগত বৈশিষ্ট্য, ভালো গঠন ও প্রচুর পরিমাণে বীজ উৎপাদনের সক্ষমতা। ফলে এই গাছ থেকে জন্ম নেওয়া নতুন গাছগুলো সবল হয়। মা গাছের বয়স কমপক্ষে ৩০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

বন বিভাগ কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের একাংশে পরিপক্ব, সুস্থ ও সোজা কাণ্ডবিশিষ্ট, বয়স, উচ্চতা, ব্যাস ও ফলন ক্ষমতার ভিত্তিতে মা গাছ নির্বাচন করেছে।

জরিপে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে তিন প্রজাতির গর্জন। এর মধ্যে আছে তেলি গর্জন, বাইট্টা গর্জন ও শিল গর্জন। এই তিন প্রজাতির মা গাছের সংখ্যা ৪ হাজার ৬৮টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাওয়া গেছে ঢাকিজাম—৩০৬টি।

এককভাবে সবচেয়ে বেশি মা গাছ আছে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে। এ বিভাগে মা গাছের সংখ্যা ৩ হাজার ৬১টি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম মা গাছে পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগে, যেখানে মাত্র ৭৭টি।

জরিপে মোট ৭৫ প্রজাতির মা গাছের সন্ধান পেয়েছে বন বিভাগ। এর মধ্যে ১৭ প্রজাতির মা গাছ টিকে আছে মাত্র ১টি করে। এসব প্রজাতির মধ্যে রয়েছে কাঞ্চন, পলাশ, পিটালি, বান্দরহুলা, বুদ্ধ নারকেল, পারুল, ধলি গর্জন, কানতে, কেরুন, সুকন, বড় জাম, কন্যালী, তেজবহল, রাজকড়ই ও গাব।

দুটি করে টিকে আছে তিন প্রজাতির মা গাছ। এগুলো হলো চন্দুল, সুন্দরি ও সাদা কড়ই।

এ ছাড়া তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি সংখ্যায় পাওয়া গেছে ১১ প্রজাতির মা গাছ। এর মধ্যে আছে জাম ৮৮টি, শাল ৬২টি, তেলসুর ৫৬টি, ডুমুর ৩৯টি, বট ৩১টি, বৈলাম ৩১টি, জারুল ২৪টি, মেহগনি ১৯টি, উরি আম ১৯টি, কদম ১৮টি ও বহেরা ১৬টি।

বন বিভাগের জরিপের সঙ্গে এফএওর জরিপের সংখ্যার তারমত্য হওয়ার কারণ গর্জনকে হিসাবে না আনা। এফএওর করা জরিপে ২০ প্রজাতির ৫০০টি মা গাছ শনাক্ত করা হয়েছিল।

এফএওর করা প্রথমবারের মতো মা গাছ নিয়ে করা জরিপের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের অধ্যাপক মো. কামাল হোসাইন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতিতে যদি মা গাছ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি দেশের বন ও প্রকৃতির জন্য ভালো খবর। কারণ, এর আগে মা গাছ নিয়ে বন বিভাগের কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার ছিল না। এখন একটি তথ্যভান্ডার তৈরি হয়েছে।

মা গাছগুলো সংরক্ষণের মাধ্যমে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বীজ সংগ্রহ করে মানসম্পন্ন চারা তৈরিতে বন বিভাগকে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এসব মা গাছের চারা থেকে বনায়ন হলে সেটি বনের বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্য তৈরিতে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।

প্রায় চার দশক ধরে কক্সবাজারের বন নিয়ে গবেষণা করা এই অধ্যাপক আরও বলেন, প্রতি হেক্টর প্রাকৃতিক বনে ৮ থেকে ১০টি মা গাছ থাকা উচিত।

বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড অনুসরণ করেই মা গাছ নির্বাচন করা হয়েছে। জরিপে মোট ৫ হাজার ৫২০টি মা গাছ পাওয়া গেছে।

মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘মা গাছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বীজ উৎপাদনের ক্ষমতা। আমাদের জরিপে এ রকম অনেক গাছ পাওয়া গেছে, যেগুলোর আকৃতি, পরিপক্বতা ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য মা গাছের মতো, কিন্তু বীজ উৎপাদন হয় না। সেগুলো মা গাছের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’

প্রতিটি মা গাছের ভৌগোলিক অবস্থান (জিপিএস) চিহ্নিত করার মধ্য দিয়ে একটি তথ্যভান্ডার করা হয়েছে জানিয়ে আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভাগীয় বন অফিসের অধীন থাকা প্রতিটি বিট অফিস ও রেঞ্জ অফিসকে গাছগুলো নিবন্ধিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব গাছ সংরক্ষণে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে এফএওর করা গবেষণা বলছে, কক্সবাজার অঞ্চলে দেশীয় বনজ গাছ ও মা গাছ কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণ কাজ করছে। বন থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় কাঠ ও অন্যান্য সম্পদ আহরণ এবং নির্বিচার গাছ কাটার কারণে দেশীয় প্রজাতির গাছগুলো উল্লেখযোগ্য হারে হারিয়ে যাচ্ছে। দুর্বল প্রাকৃতিক পুনরুৎপাদনও মা গাছ কমে যাওয়া আরেকটি কারণ।

অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বনভূমি ও গাছের প্রাকৃতিক বাসস্থান সংকুচিত হয়ে পড়ছে। স্থানীয় মানুষ ধীরে ধীরে বনভূমির গাছ কেটে ফেলছে এবং সেই জমিকে সবজি ও ফলের বাগানে পরিণত করছে, যা মা গাছ কমে যাওয়ার একটি কারণ।

কক্সবাজারের এই বনাঞ্চলে আগে কতটি মা গাছ ছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। তবে মা গাছের অতীত ও বর্তমান অবস্থার একটি ধারণা পাওয়া যায়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

মা গাছ কী?
মা গাছ বা ‘ফরেস্ট সিড ট্রি’ কোনো প্রজাতির এমন একটি পরিণত গাছ, যার রয়েছে উন্নত জিনগত বৈশিষ্ট্য, ভালো গঠন ও প্রচুর পরিমাণে বীজ উৎপাদনের সক্ষমতা।

বিষয়

মন্তব্য

আরও: বাংলাদেশ

সব দেখুন →
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কর্মশালা
বাংলাদেশ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কর্মশালা

Two killed, 4 injured in Jamalpur road accident | District
বাংলাদেশ

জামালপুর সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মহিলা নিহত, চারজন আহত

Two held with 2,400 Tapentadol tablets in Rangpur | District
বাংলাদেশ

রংপুরে ২,৪০০ ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেটসহ দুজন আটক, পুলিশ অভিযানে সাফল্য

BGB seizes Indian smuggled goods in border raids | Others
বাংলাদেশ

বিজিবি বাজেয়াপ্ত করলো ভারতীয় চোরাচালানকৃত মালামাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে অভিযান

Drain cleaning launched in Khulna to improve climate resilience | District
বাংলাদেশ

খুলনায় জলপ্রবাহ উন্নয়নে পয়ঃনালার পরিষ্কারের উদ্যোগ

Adequate fertilizer stocks available, syndicate will not be tolerated: Forhad  | News
বাংলাদেশ

পঞ্চগড়ে সারের পর্যাপ্ত জমা নিশ্চিত করেছেন ফরহাদ, সিন্ডিকেট বরণ করা হবে না

Khulna dev committee directs timely completion of projects | District
বাংলাদেশ

খুলনা জেলা উন্নয়ন কমিটি সময়মতো প্রকল্প সমাপ্তির জন্য জোর দিল

Bangladesh begins new journey to improve work ambience: Shama  | News
বাংলাদেশ

শ্রমিক পরিবেশ উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ শুরু: শামা

সর্বশেষ সংবাদ

8 female university students get 'Joyee Scholarship' in Rangpur | News
শিক্ষা

রাঙ্গামাটির অসচ্ছল পরিবারের ৮ মেয়ে ছাত্রীকে দেওয়া হলো 'জয়ী বৃত্তি'

Argentina seek glorious World Cup finale for Messi against Spain | News
খেলা

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির সম্মাননা

Technical education board asks institutions not to use PM’s image on banners | News
শিক্ষা

প্রযুক্তি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশ: সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার না করতে

Prof Nazmus Sadath appointed new VC of GSTU | News
শিক্ষা

প্রফেসর ডাঃ নাজমুস সাদাত গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি নিযুক্ত

US launches strikes to 'punish' Iran after troops killed | International
আন্তর্জাতিক

মার্কিন আক্রমণের পর ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যে জটিলতা বৃদ্ধি

Shamim appointed administrator of Chattogram Zilla Parishad | Others
রাজনীতি

মোহাম্মদ মহবুবের রহমান শামিম চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক

Healthcare services to be strengthened in Rajbari: Khyom | Others
স্বাস্থ্য

রাজবাড়িতে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে: খেয়াম

S. Africa says radioactive contamination at nuclear plant was minor | International
আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ আফ্রিকা: কোয়েবর্গ নিউক্লিয়ার প্লান্টে রেডিওএক্টিভ দূষণ ছিল অত্যন্ত সামান্য

Standard Chartered Bangladesh strengthens global standing with multiple int’l accolades | Business
বাণিজ্য

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী সম্মান অর্জন করেছে

Fakhrul mourns death of Juba Dal leader Nannu | News
রাজনীতি

ফখরুল জুবো দলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেন নানুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেন

Govt continues response to natural disasters in affected districts | News
বাংলাদেশ

সরকার দুর্যোগপীড়িত জেলায় ত্রাণ ও সহায়তা অব্যাহত রেখেছে

Fire Service chief urges personnel to prioritise professional duties | Others
বাংলাদেশ

অগ্নি নিরাপত্তা মহাপরিচালক কর্মীদের দায়িত্বে মনোনিবেশের জন্য আহ্বান জানান