চট্টগ্রামের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের কাজ চলছে এবং ভবিষ্যতে বন্যা ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খাসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রামের গুরুতর বন্যার কারণগুলো খুঁজে বের করতে একটি বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
মন্ত্রী বলেছেন, রেললাইন, অপরিকল্পিত নির্মাণ কাজ বা জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্থ করে এমন বাধাগুলো বন্যার কারণ হতে পারে। অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাতও এই দুর্যোগে অবদান রেখেছে। সমস্ত কারণ নিয়ে একটি বিস্তারিত পর্যালোচনার পরে ভবিষ্যতে বন্যা ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সরবরাহ
চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ডলু খাল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী আমির খাসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বন্যায় বেশ কয়েক লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে ৪০ হাজার পরিবারের মধ্যে চাল, ৭৫ হাজার পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার এবং ডাল, এবং ৪০ হাজার পরিবারের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছে।
মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, পুনর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকদের টিন দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে কৃষকরা বীজ, সার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কৃষি সরঞ্জাম পাচ্ছেন যাতে তারা দ্রুত কৃষিকাজে ফিরে আসতে পারে।
সড়ক ক্ষতির মূল্যায়ন চলছে, শীঘ্রই মেরামত শুরু হবে
মন্ত্রী আমির খাসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বন্যায় অনেক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগকে ক্ষতির পরিমাপ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মূল্যায়নের পর শীঘ্রই মেরামত কাজ শুরু হবে।





























