কৃষি অধিদপ্তর (ডিএই) দিনাজপুরে চলমান আমন মৌসুমে ২,৭২,২৭০ হেক্টর জমিতে ট্রান্সপ্ল্যান্টেড আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে। আমন চাষের মৌসুম শীর্ষে পৌঁছালে জেলার সমস্ত উপজেলায় কৃষকরা বীজশয্যা প্রস্তুত করতে ব্যস্ত আছেন। ডিএই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
বীজশয্যা ও রাসায়নিক সারের ব্যবস্থা
বীজশয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে ১০,৮৫০ হেক্টর জমিতে এবং রাসায়নিক সারের পর্যাপ্ত স্টক রয়েছে বলে জানা গেছে। জেলায় ১২৬টি নিবন্ধিত সার বিক্রেতা এবং প্রত্যেকের অধীনে তিনজন করে সাব-ডিলার রয়েছে। ডিএই নিশ্চিত করেছে যে আমন চাষের মৌসুমে সারের কোন ঘাটতি হবে না।
উপজেলা অনুযায়ী চাষের লক্ষ্যমাত্রা
উপজেলা-ভিত্তিক চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিম্নরূপ: দিনাজপুর সদরে ২৫,৫২০ হেক্টর, বিরালে ২৪,৭০০ হেক্টর, বোচাগঞ্জে ১৭,৮০০ হেক্টর, কাহারোলে ১৪,৭০০ হেক্টর, বিরগঞ্জে ২৪,৬৫০ হেক্টর, খানসামায় ১৪,৪০০ হেক্টর, চিরিরবন্দরে ২৪,৯০০ হেক্টর, পার্বতীপুরে ২২,৭৫০ হেক্টর, ফুলবাড়ি ও বিরামপুরে ২৪,২৫০ হেক্টর প্রতিটিতে, নবাবগঞ্জে ২৪,৩৫০ হেক্টর, হাকিমপুরে ১২,৬৫০ হেক্টর এবং ঘোড়াঘাটে ১৭,৩৫০ হেক্টর।
ডিএই কর্মকর্তারা আশাবাদী যে, যদি অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকে, তাহলে আমন চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং এই মৌসুমে এক ভালো ফসল হতে পারে।





























