রংপুর কৃষি অঞ্চলের চাষিরা খরিফ-১ মৌসুমে ভালো উৎপাদন ও ভালো মূল্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। চাষিরা বর্তমানে মূল্য পেয়ে খুশি হয়েছেন। তারা প্রতি মাউন্ড (৪০ কেজি) মূল্য পাচ্ছেন ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা। কৃষি অধিদপ্তর (ডিএই) রংপুর অঞ্চলে খরিফ-১ মৌসুমে ২১,৭০৫ হেক্টর জমিতে ২,১২,৭৭১ টন মৈশ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু চাষিরা ২০,৮১৫ হেক্টর জমিতে মৈশ চাষ করেছেন। যা লক্ষ্যের ৯৫.৯০ শতাংশ। ডিএই-এর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক এমডি শিরাজুল ইসলাম বলেছেন, উপযুক্ত আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে মৈশ উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চাষিরা খুশি মূল্য পাচ্ছেন
চাষিরা বলছেন তারা এই খরিফ-১ মৌসুমে ভালো মূল্য পেয়েছেন। রংপুরের বিভিন্ন গ্রামের চাষি লোকমান হোসেন, আবু তোরাব ও জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, তারা ভালো মূল্য পেয়েছেন।
মৈশ চাষের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০১৮ পদক (খাদ্য নিরাপত্তা) বিজয়ী কৃষিবিদ ডাঃ এমডি আব্দুল মাজিদ বলেছেন, মৈশ চাষ কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মৈশ চাষ লাভজনক হয়ে উঠেছে এবং গরীব ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করছে। তিনি বলেছেন, মৈশ চাষের জন্য সরকারি উদ্দীপনা ও সহায়তা কৃষকদের উৎপাদন ও মূল্য উভয় ক্ষেত্রেই লাভবান করেছে।





























