নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জাতীয় সংসদে বলেছেন, ২০১০ সাল থেকে দেশের নদী ও নদী তীর থেকে মোট ২৮,৩২৫টি অবৈধ কাঠামো উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে ১,২৪৪.২২ একর নদী তীরের জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযান এখনও চলছে।
নদী তীরের জমি পুনরুদ্ধার
মন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ জলপথ অথরিটি (বিআইডব্লিউটিএ) ২০১০ সাল থেকে নদী ও নদী তীর থেকে অবৈধ কাঠামো উচ্ছেদ করছে। এই অভিযানের মাধ্যমে ১,২৪৪.২২ একর নদী তীরের জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
জরিপ ও চিহ্নিতকরণ
মন্ত্রী বলেছেন, নদী বন্দরের তীরবর্তী এলাকাগুলো জরিপ ও চিহ্নিত করা হচ্ছে। এছাড়াও সীমানা খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। অবৈধ কাঠামো চিহ্নিত ও উচ্ছেদের কাজ চলছে।
নিয়মিত অভিযান ও শাস্তি
নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে যাতে নদীর অবৈধ দখল ও দূষণ প্রতিরোধ করা যায়। অভিযানের সময় অবৈধ দখলদার ও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে সংগ্রহ করা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত বা নিলাম করা হচ্ছে।
পুনর্দখল প্রতিরোধের ব্যবস্থা
অবৈধ কাঠামো উচ্ছেদের পর পুনর্দখল প্রতিরোধের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সৌন্দর্যবর্ধক হাঁটার পথ, ইকো-পার্ক, আরসিসি জেটি ও সিঁড়ি নির্মাণের পাশাপাশি বনায়ন কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এই ব্যবস্থাগুলো নদীর পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করছে।
জাতীয় নদী সংরক্ষণ কমিশনের ভূমিকা
জাতীয় নদী সংরক্ষণ কমিশন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে নদীর অবৈধ দখল ও দূষণ প্রতিরোধের জন্য। কমিশন অবৈধ নদী দখলদারদের তালিকা আপডেট করেছে। ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত দেশব্যাপী ২১,৯৮৮ জন অবৈধ নদী দখলদার চিহ্নিত করা হয়েছে।






























