ভেনিজুয়েলায় দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৯২০ জন মারা গেছে এবং হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। রাজধানী কারাকাসের উত্তরে অবস্থিত লা গুয়ারা এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর থেকে অনেক মানুষ তাদের নিখোঁজ পরিজনদের খোঁজে জুটেছে।
আন্তর্জাতিক সাহায্যের আগমন
আন্তর্জাতিক উদ্ধার দলগুলো ভেনিজুয়েলায় পৌঁছাতে শুরু করেছে। চিলি, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, কলম্বিয়া এবং মেক্সিকোর উদ্ধার দলগুলো কাজ শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৫০ জনের একটি দল পাঠিয়েছে, যাদের মধ্যে বিশেষ উদ্ধার ইউনিট এবং তাদের সাথে অনুসন্ধান কুকুর রয়েছে।
স্থানীয় ক্ষোভ এবং অসন্তোষ
কারাকাসের বাসিন্দারা অস্থায়ী নেতা ডেলসি রোদ্রিগেজের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা অভিযোগ করেছে যে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অনেকে ভূমিকম্পের পর থেকে তাদের পরিজনদের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে, কিন্তু তাদের কাছে যথেষ্ট যন্ত্রপাতি বা সরকারি সহায়তা নেই।
মানবিক সঙ্কটের সূচনা
ভূমিকম্পের পর ভেনিজুয়েলায় এক নতুন মানবিক সঙ্কটের সূচনা হয়েছে। দেশটি ইতিমধ্যে দশ বছরের অর্থনৈতিক অবনতির কারণে হাসপাতাল এবং পাবলিক সার্ভিস ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওচা বলেছে যে অন্তত ১৭টি দেশের উদ্ধার দল ভেনিজুয়েলায় পৌঁছাচ্ছে।
ভূমিকম্পের পরিসংখ্যান
ভূমিকম্পের মধ্যে একটি ৭.২ মাত্রার এবং অন্যটি ৭.৫ মাত্রার ছিল। ভূমিকম্পের পর অনেক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। নিহতদের মধ্যে নয়জন পর্তুগিজ, পাঁচজন স্পেনীয়, দুইজন ব্রাজিলীয়, দুইজন চাইনিজ এবং একজন ইতালীয়-ভেনিজুয়েলীয় রয়েছে। পর্তুগালের ৫৬ জন এবং স্পেনের ১৩৩ জন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছে।






























