চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং দুই দিনের সফরে উত্তর কোরিয়া গেছেন। তাঁর এই সফর কতটা বন্ধুত্বের আর কতটা প্রভাব খাটানোর কৌশল, তা এখন দেখার অপেক্ষায়। চীন তার সীমান্তে স্থিতিশীলতা ও পিয়ংইয়ংয়ের ওপর প্রভাব চায়। তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে উদ্ভূত সংকটে জড়িয়ে পড়তে চায় না।
দুটি দেশ প্রায়ই তাদের সম্পর্ককে ‘রক্তের বন্ধনে গড়ে ওঠা’ বলে উল্লেখ করে, যা কোরিয়া যুদ্ধের সময়কার তাদের যৌথ ইতিহাসের প্রতি ইঙ্গিত করে। তবে গত মাসে উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন না। বছরজুড়ে উচ্চপর্যায়ের কোনো আদান-প্রদানও হয়নি।
সিউলের বিশ্বাস, উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চীনকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করতে পারেন সি। তবে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্য ভিন্নও হতে পারে। পশ্চিমা কূটনৈতিক সূত্রগুলো বিবিসিকে বলেছে, পিয়ংইয়ং ও মস্কোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্ব নিয়ে চীন ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে।
গত সপ্তাহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীন সফর করেন। সি চিন পিং সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, বিশেষ করে যখন বেইজিং বিশ্বমঞ্চে নিজের উপস্থিতি আরও বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে।



















