যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং নরওয়ের যৌথ বিবৃতিতে জানানো, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করা হবে। ওই অধিকারকর্মী এই পাঁচটি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন না। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থের জোগান বন্ধ করা। কারণ, এই অর্থের জোরেই এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অধিকৃত পশ্চিম তীরে বিনা বাধায় অপরাধ করছে এবং পার পেয়ে যাচ্ছে।
সেই সঙ্গে ফ্রান্স পৃথকভাবে জানিয়েছে, দেশটি ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে। তাঁকে ফ্রান্সে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরে দখলদারত্বে সক্রিয়ভাবে উৎসাহ দিচ্ছেন।



















