# টুপেলো উৎসবে এলভিস প্রিসলির ঐতিহ্য বহন করছে তরুণরা

*এলভিস প্রিসলির মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে, তবে তাঁর জন্মশহর টুপেলো কাঁপিয়ে দিয়েছে একদল প্রাণবন্ত কিশোর ও তরুণ।*

১৩ জুন, ২০২৬ · আন্তর্জাতিক

## এক নজরে

- এলভিস প্রিসলির মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পর তার জন্মশহর টুপেলোতে কিশোর-তরুণরা তার ঐতিহ্য বহন করছে।
- গত সপ্তাহে ‘টুপেলো এলভিস উৎসবে’ ৭ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোরদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিযোগীরা নিজেদের ‘ট্রিবিউট আর্টিস্ট’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলভিসের কণ্ঠস্বর, অঙ্গভঙ্গি ও স্টাইল ফুটিয়ে তুলতে চায়।

এলভিস প্রিসলির মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। তবে তাঁর জন্মশহর টুপেলো কাঁপিয়ে দিয়েছে একদল প্রাণবন্ত কিশোর ও তরুণ। নতুন প্রজন্মের লক্ষ্য এই পপসম্রাটের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা। গত সপ্তাহে ‘টুপেলো এলভিস উৎসবে’ কিশোরদের এক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগীদের বয়স ছিল ৭ থেকে ১৭ বছর। তাদের কেউ কেউ জমকালো জাম্পস্যুট পরে মঞ্চ কাঁপায়। তাদের বয়সী অনেক কিশোর হয়তো এলভিসের নামই শোনেনি, তবে এই প্রতিযোগীরা ব্যতিক্রম। এলভিসের কণ্ঠস্বর, অঙ্গভঙ্গি ও স্টাইল ফুটিয়ে তুলতে তারা প্রচুর সময় ও শ্রম দিয়েছে।

কিশোর-তরুণেরা নিজেদের স্রেফ এলভিসের অনুকরণকারী বলতে রাজি নয়, বরং ‘ট্রিবিউট আর্টিস্ট’ বা শ্রদ্ধা নিবেদনকারী শিল্পী হিসেবে পরিচয় দেয়। অনেকে স্রেফ এলভিস সেজে মঞ্চ মাতালেও এই তরুণেরা এলভিসের আসল রূপটিই নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে চায়। কয়েকজন প্রতিযোগী ‘বি অ্যান্ড কে এন্টারপ্রাইজেস কস্টিউম কোম্পানির’ তৈরি পোশাক পরেছিল। এই প্রতিষ্ঠান এলভিসের সিনেমা, মিউজিক্যাল ও টিভির পোশাক তৈরির লাইসেন্সধারী।

মিসিসিপির ১৭ বছর বয়সী টাকার গ্ল্যাডেন বলে, ‘আমরা অবিকল এলভিস হওয়ার চেষ্টা করছি না। যাঁরা জীবনে সরাসরি এলভিসকে দেখার সুযোগ পাননি, আমরা তাঁদের সেই অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চাই।’ বহু বছর আগে মারা যাওয়া এই শিল্পীর প্রতি কিশোরদের আকর্ষণের কারণ ২০২২ সালের ‘এলভিস’ চলচ্চিত্রটি।

দু-একজন কিশোর জানায়, এলভিসের সঙ্গে দূরসম্পর্কের আত্মীয়তার কথা জানার পর থেকেই তারা তাঁর ভক্ত হয়ে গেছে। আবার কেউ অনুপ্রাণিত হয়েছে এলভিসের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সমাজসেবা দেখে। কেউ কেউ তো মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই এলভিসের গান গাইছে।

ইন্ডিয়ানার লোগানস্পোর্টের ১৬ বছর বয়সী কিশোর এইডেন ম্যালয় জানায়, জীবনের কঠিন সময়ে এলভিসের গান তাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছিল। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই তিন বছর আগে সে এলভিসের গান গাইতে শুরু করে। ম্যালয় বলে, ‘গানগুলো আমার মনের ক্ষত সারিয়ে দিয়েছিল, তাই আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। আমার মনে হয়, এলভিসই আসল নিরাময়কারী।’

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/world/elvis-tribute-young-artists
