আর্লিং হালান্ডের দুই গোলে সেনেগালকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে নরওয়ে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে জায়গা করে নিল। ম্যাচের প্রথমার্ধে মার্কাস হোমগ্রেন পেডারসন এক গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে হালান্ড দুই গোল করে নরওয়ের জয় নিশ্চিত করেন। সেনেগালের পক্ষে ইসমালিয়া সার দুই গোল করলেও তা যথেষ্ট হয়নি।
ম্যাচের বিবরণ
ম্যাচের শুরুতেই নরওয়ে তাদের আধিপত্য দেখায়। কর্নার থেকে ক্রিস্টোফার আয়েরের হেড সেনেগালের গোলরক্ষক এডুয়ার্ডো মেন্ডিকে এক অসাধারণ সেভ করতে বাধ্য করে। তবে শুরুতেই চোটের কারণে ফুল-ব্যাক জুলিয়ান রায়ারসনকে হারায় নরওয়ে। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড ডান দিক থেকে আসা এক দারুণ কাট-ব্যাক সুযোগ নষ্ট করেন। অন্যদিকে নিকোলাস জ্যাকসন ছিলেন সেনেগালের সবচেয়ে বিপজ্জনক আক্রমণভাগের খেলোয়াড়।
৪৩ মিনিটে সেনেগাল অধিনায়ক কালিডু কোলিবালির ভয়াবহ ভুলে বক্সের কিনারায় বল পেয়ে যান বদলি রাইট-ব্যাক পেডারসেন। তাঁর নিচু শট মেন্ডির হাত ফসকে জালে প্রবেশ করলে নরওয়ে এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের তিন মিনিটের মাথায় হালান্ড দুই গোল করে নরওয়ের জয় নিশ্চিত করেন। সেনেগাল অবশ্য ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। সাদিও মানের এক ফ্লিক থেকে সার ৫৩ মিনিটে এক গোল শোধ করেন। কিন্তু কোলিবালি আবারও ভুল করেন। প্যাট্রিক বার্গেইর ক্রস তিনি ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে হালান্ড বল জালে পাঠান।
হালান্ডের অসাধারণ পারফরম্যান্স
ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড হালান্ড এনিয়ে এবারের বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে চার গোল করলেন। শেষ ১৮ ম্যাচে নরওয়ে মাত্র একটি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। আগামী শুক্রবার গ্রুপ-আইয়ের শীর্ষস্থানের জন্য ফ্রান্সের মোকাবেলা করবে তারা। এই গ্রুপ থেকে দুই দলই ইতোমধ্যেই নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।
সেনেগালের চ্যালেঞ্জ
অন্যদিকে টিকে থাকতে হলে সেনেগালকে অবশ্যই ইরাককে পরাজিত করতে হবে। এই দুই দলের কেউই এখন পর্যন্ত কোন পয়েন্ট অর্জণ করতে পারেনি। নিজেদের ভুলের চড়া মূল্য দেওয়া সেনেগালের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে নরওয়ে প্রমাণ করল যে তারা এই বিশ্বকাপে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম। কালকের পারফরমেন্স দিয়ে তারা এই বিশ্বাসকে আরও জোরালো করেছে।






























