# লক্ষ্মী: বাঙালির জীবনে ধনসম্পদ ও সৌন্দর্যের প্রতীক

*বাঙালি হিন্দুদের মধ‍্যে লক্ষ্মীর সমাদর সারা বছর চালু ছিল এবং আছেও।*

১৩ জুন, ২০২৬ · ধর্ম

## এক নজরে

- লক্ষ্মী মূলত ধনসম্পদের দেবী, তবে তিনি শ্রী ও সুরুচির প্রতীক।
- বাঙালি হিন্দুদের মধ‍্যে লক্ষ্মীর সমাদর সারা বছর চালু ছিল এবং আছেও।
- সমাজের সর্বশ্রেণির মানুষ লক্ষ্মীপূজায় অংশগ্রহণ করেন।

লক্ষ্মী মূলত ধনসম্পদের দেবী। তবে তিনি শ্রী ও সুরুচির প্রতীক। বৈদিক যুগে মহাশক্তি রূপে পূজিত হলেও আজ তিনি সম্পদ ও সৌন্দর্যের দেবী। বাঙালি হিন্দুদের মধ‍্যে লক্ষ্মীর সমাদর সারা বছর চালু ছিল এবং আছেও। বছরের সব সময়ই এই দেবী পূজিত হন ঘরে ঘরে।

বাঙালি হিন্দু পরিবারের ঘরে উঁকি দিলেই দেখা যাবে লক্ষ্মীর সযত্ন আসনের, যেখানে থাকে একটি ঘট, সিঁদুরের কৌটা, কাঠ বা পিতলের প্যাঁচা, কড়ি, ধানের ছড়া ও দেবীর ছবি। প্রতি বৃহস্পতিবার গৃহস্থ পরিবারের গৃহবধূটি সুর করে লক্ষ্মীর পাঁচালি পড়তেন।

তবে নিত‍্যদিনের এই লক্ষ্মীবরণ ছাড়াও বছরের নানা সময়ে লক্ষ্মীকে বিশেষভাবে পূজা করা হয়। যেমন ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার হয় ভাদ্রলক্ষ্মী পূজা, আশ্বিন মাসের পূর্ণিমায় হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, কার্তিকের দীপান্বিতা অমাবস‍্যায় মহালক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়।

সমাজের সর্বশ্রেণির মানুষ এই পূজায় অংশগ্রহণ করেন। আসলে গ্রামবাংলার বিভিন্ন লোকসংস্কৃতির সঙ্গে লক্ষ্মীপূজার সম্পর্ক গভীর। কৃষিভিত্তিক সমাজজীবনের সঙ্গে এর সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

শাস্ত্রে বলে, ধনসম্পত্তি ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মী এই শারদপূর্ণিমার রাতে স্বর্গ থেকে মর্ত‍্যে নেমে আসেন বাংলার বুকে। তিনি যাঁদের বাড়ির দরজা খোলা পান, তাঁদের ওপর প্রীত হয়ে আশীর্বাদ করেন। বন্ধ দুয়ারের ঘরে তিনি প্রবেশ করেন না। দেবীর আসার অপেক্ষায় গৃহস্থরা রাত জেগে বসে থাকেন।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/religion/lakshmi-beauty-symbol-not-just-commerce
