# দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু

*দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই।*

১৩ জুন, ২০২৬ · রাজনীতি

## এক নজরে

- দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই।
- তিনি উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।
- তোফায়েল আহমেদ ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তাঁর পরিবারের একাধিক সূত্র মৃত্যুর খবরটি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন আজ বিকেল চারটায় প্রথম আলোকে বলেন, তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।

পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ প্রাঙ্গণে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার নিজ জেলা ভোলাতেও তাঁর জানাজা হবে। এরপর নিজ গ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/politics/tofail-ahmed-no-more
