# গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের ধাওয়া, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ

*গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পানের হাট দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ধাওয়া, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।*

১৩ জুন, ২০২৬ · রাজনীতি

## এক নজরে

- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পানের হাট দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ধাওয়া, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
- পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
- ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পানের হাট দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া বিএনপির বিরুদ্ধে হাটে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পলাশবাড়ী পৌরসভার ছোট শিমুলতলা পানের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে পান বিক্রেতা ও ক্রেতাসহ আশপাশের এলাকার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর থেকে দুই পক্ষের লোকজন হাটের আশপাশে জড়ো হতে থাকেন। পরে একদল পানের হাটে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় পলাশবাড়ী-ঘোড়াঘাট সড়কে অন্তত ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে দুই পক্ষ ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে পরিস্থিতি শান্ত ও যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার একাধিক ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই ঘটনার আমি কিছু জানি না।’ জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি খায়রুল ইসলাম বলেন, বিএনপির নেতা–কর্মীরা প্রথমে পানের হাটে হামলা ও ভাঙচুর চালান। তাঁরা ককটেল বিস্ফোরণ করেছেন।

পানের হাটে বিএনপির নেতা–কর্মীদের হামলা চালানোর বিষয় অস্বীকার করে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সামাদ মণ্ডল বলেন, এ ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতা–কর্মী জড়িত নন। পান ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন, সকালে পানের হাট দখল নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই পক্ষের মধ্য পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। সেখানে যেটি বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটি ককটেল কি না, তা জানা যায়নি। কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বিকেল পাঁচটার দিকে দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে।

---
Source: https://pulsetoday.com.bd/bn/politics/gaibandha-pan-hat-conflict
